মহাকাশে সোলার ফার্মের ধারণা বাস্তবায়নের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।
এরই মধ্যে ব্রিটিশ মহাকাশচারী টিম পিক এ বিষয়ে তার গবেষণা
অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
সংবাদমাধ্যমটি
জানায়, সৌর শক্তি সংরক্ষণ এবং তা প্রক্রিয়াজাত করতে একটি কৃত্রিম
উপগ্রহ ব্যবহার হয়। উপগ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৬ হাজার
কিলোমিটার ওপরে জিওস্টেশনারি কক্ষপথে প্রদক্ষিণ
করছে। এটি যে কোনো পরিস্থিতিতেই সৌর শক্তি সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়া
করতে পারে।
সূর্য থেকে
বিকিরিত মাইক্রোওয়েভগুলোকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করতে হলে
এর মাত্রা সীমিত রাখতে হয়। অন্যথায় উপগ্রহটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এটি আপাতত কল্পকাহিনি
মনে হলেও ক্যালটেকের ডিজাইন করা প্রোটোটাইপটি সূর্যের আলো
থেকে কিছুটা হলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এটাও সত্যি, মহাকাশে এ ধরনের
একটি পাওয়ার স্টেশন তৈরির কাজ বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন।
বিজ্ঞানীরা
বলছেন, মহাকাশে সোলার ফার্ম বাস্তবায়ন করার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো— স্যাটেলাইটের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মহাকাশে নিয়ে
যাওয়া। এর পাশাপাশি স্যাটেলাইটের আয়ু এবং অন্যান্য জ্বালানি
সেখানে সরবরাহ করাও একটি কঠিন কাজ হতে পারে।
অবশ্য ইলন
মাস্কের স্পেস এক্সের বানানো ফ্যালকন রকেট এই পরিমাণ মালামাল মহাকাশে পৌঁছে দিতে পারবে
বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। তবে বিষয়টি বেশ ব্যয়বহুল হবে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।










