অবসর অর্থময় করতে ধনকুবেরদের অনেকে গলফ খেলে বা প্রমোদতরীতে ভেসে সময় কাটান। তাদের রয়েছে অনেক বৈচিত্র্যময় খরুচে অভ্যাস। তবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলোন মাস্কের বড়সড় আয়োজনের দরকার পড়ে না। স্রেফ ভিডিও গেমে হলেই চলে। এতে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজে পান তিনি। সঙ্গে পান নতুন নতুন চিন্তার খোরাক। খবর এনডিটিভি।

সম্প্রতি এক পডকাস্ট শোয়ে এ তথ্য দেন টেসলা ও স্পেসএক্সের মালিক। মাস্ক বলেন, ভিডিও গেম আমার মনের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। ভার্চুয়াল চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা ও মানসিক অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করে। এটি আমার প্রধান বিনোদনমূলক কাজ।

তিন বছর মাস্কের সঙ্গী ছিলেন গ্রিমস। তাদের তিন সন্তানও রয়েছে। মাস্কের জীবনীকার ওয়াল্টার আইজ্যাকসনকে গ্রিমস জানান, ভিডিও গেম বাদ দিলে মাস্কের কোনো শখ বা মানসিক স্থিরতা আনার অন্য কোনো মাধ্যম নেই।

ফরচুন ডটকম অনুসারে মাস্কের প্রিয় ভিডিও গেমের একটি ‘ওয়ার অব পলিটোপিয়া’। এই খেলার অংশ হলো সভ্যতা গড়ে তোলা ও যুদ্ধে জেতা। মাস্কের ভাই কিম্বল জানান, সিইও হিসেবে দক্ষতা বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেব পলিটোপিয়াকে দেখেন মাস্ক। সেখানে ‘সহানুভূতি’কে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয় না।

মাস্কের আরেকটি পছন্দের খেলা হলো ‘এলডেন রিং’। এটিও যুদ্ধ ও সাম্রাজ্য-নির্মাণ কেন্দ্রিক। এর সৃজনশীলতা ও শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনার প্রশংসা করেন তিনি। জানান, জীবনে ও ভিডিও গেমের ক্ষেত্রে দুই ক্ষেত্রেই ভেতরের শত্রুতাকে জয় করা সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং।

গেমিং মাস্কের বড় ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করেছে বলেও জানান গ্রিমস। যেমন উত্তেজনাকর একটি ‘এলডেন রিং’ সেশনের পরে টুইটার কেনার সিদ্ধান্ত নেন মাস্ক। ওই খেলাটি সেদিন ভোর পর্যন্ত মাস্ককে ব্যস্ত রেখেছিল।

পডকাস্ট সূত্রে জানা যায়, কঠিন ভিডিও গেমগুলো মাস্কের কাছে উপভোগ্য। কারণ এসব খেলা বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের মাধ্যমে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতাকে শানিত করে।