মালয়েশিয়ায় ভিডিও শেয়ারিং সাইট টিকটকের বিরুদ্ধে আইন অমান্যের অভিযোগ উঠেছে। দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল বলেছেন, চীনা কোম্পানিটি তার দেশের বেশকিছু আইন ভেঙেছে। মানহানিকর বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ঠেকাতেও যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়নি তারা। এমন অভিযোগের পর টিকটকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষের আপত্তি নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে তারা। খবর রয়টার্স।

প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘টিকটক স্থানীয় আইন ও প্রবিধানকে সম্মান করে। যে বিষয়গুলো উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কোম্পানি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ 

আগামী সপ্তাহে মালয়েশিয়ার যোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে বৈঠক আয়োজনের কথাও জানান টিকটকের মুখপাত্র। 

চীনা কোম্পানি বাইটডান্সের মালিকানাধীন এ ভিডিও শেয়ারিং সাইটটি বেশ কিছুদিন ধরেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় চাপের মুখে রয়েছে। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় নিজেদের প্লাটফর্ম থেকে অনলাইন শপিং ফিচার ‘শপ’ বন্ধ করে দেয় টিকটক। দেশটিতে ব্যবসা পরিচালনার লাইসেন্স বাঁচাতে এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় তারা। বিপুল ব্যবহারকারী থাকায় প্লাটফর্মটিকে ঘিরে বিশাল ই-কমার্স নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছিল। কিন্তু এখানে অপেক্ষাকৃত কম দামে পণ্য বিক্রি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন বিভিন্ন মার্কেটে দোকান খোলা অফলাইন বিক্রেতারা। এতে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা ব্যাহত হচ্ছিল।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডোর ভাষায়, ‘আমাদের অবশ্যই ই-কমার্স খাতের বিষয়ে আরো সতর্ক ও যত্নবান হতে হবে। যেকোনো খাত যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে খুবই ভালো। কিন্তু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সমস্যা।’ ক্ষতিকর কনটেন্ট নিয়ে ভিয়েতনামেও তদন্তের মুখে পড়েছে টিকটক।