স্বাগতিক শ্রীলংকাকে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ। ৭৬ রানের ক্যাপ্টেনস নক খেলে দলকে জেতান লিটন দাস। বাংলাদেশের সামনে এখন শ্রীলংকার মাটিতে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়ের সুযোগ এসেছে। জয় শেষে দলনায়ক ও ম্যাচসেরা লিটন দাস বলেন, ‘গত কয়েক ম্যাচ থেকেই আমি ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করছিলাম, যদিও হয়ে উঠছিল না। আজ শামীম দারুণ ব্যাটিং করেছে। এই পিচটা ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো, তবু কিছুটা সময় উইকেটে থাকার প্রয়োজন ছিল, কারণ কিছু বল বাউন্স হচ্ছিল। আর রিশাদ যখন ভালো বোলিং করে তখন আমরা ভালো অবস্থানে থাকি। বোলিং ও ফিল্ডিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। অথচ শুরুটা ছিল বিভীষিকাময়। প্রথম দুই ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিমকে হারায় অতিথিরা। আগের ম্যাচে ২২ বলে ৩৮ রান করা ইমন বোল্ড হয়ে যান নুয়ান তুষারার বলে, আর বিনুরা ফার্নান্দোর বলে তানজিদ ডিপ স্লিপে ক্যাচ দেন পেরেরাকে। শুরুর এ বিপর্যয় সামাল দিয়ে ৮.২ ওভারে ৫০ রান তুলে নেয় বাংলাদেশ। লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় টানেন দলকে। ৫৫ বলে ৬৯ রানে জুটি গড়েন দুজন।
চতুর্থ উইকেট পতনের পর ৩৯ বলে ৭৭ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন লিটন ও শামীম হোসেন। বোর্ডে ভালো পুঁজি পেয়ে পেস ও স্পিনের সাঁড়াশি আক্রমণে বাংলাদেশকে স্মরণীয় এক জয় এনে দেন বোলাররা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৭৭/৭ (লিটন ৭৬, শামীম ৪৮, তাওহীদ ৩১; বিনুরা ৩/৩১)। শ্রীলংকা: ১৫.২ ওভারে ৯৪/১০ (পাথুম ৩২, শানাকা ২০; রিশাদ ৩/১৮)। ফল: বাংলাদেশ ৮৩ রানে জয়ী। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: লিটন দাস (বাংলাদেশ)। সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১-এ সমতা।










