ওয়াল্ট ডিজনির অ্যানিমেটেড মিউজিক্যাল ফ্যান্টাসি ফ্রোজেন টু মুক্তির প্রথম সপ্তাহে অ্যানিমেশন ছবির জন্য আয়ের রেকর্ড গড়েছে—মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ছবিটি আয় করেছে ৩৫৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ফ্রোজেন টুর জন্য গান লিখেছেন অস্কারজয়ী ক্রিস্টেন অ্যান্ডারসন-লোপেজ এবং রবার্ট (ববি) লোপেজ। তারা ছবির জন্য সাতটি গান লিখেছেন, যার মধ্যে আছে ‘এইটিজ হোমেজ’, ‘লস্ট
ইন দ্য উডস’-এর মতো মজার গান থেকে ‘ইনটু দি আননোন’-এর মতো গাঁথা। তারাই এ ছবির গানের জাদুকর।
ববি লোপেজ ও ক্রিস্টেন অ্যান্ডারসন সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। তাদের বিবাহিত জীবন ১৬ বছরের। এ সময়কালে তারা দুই কন্যাসন্তানের মা-বাবা হয়েছেন আর জিতে নিয়েছেন দু-দুটো অস্কার, দুটো গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস। অনেক বছর ধরেই তারা যৌথভাবে কাজ করছেন। কিন্তু তাদের বড় সাফল্য আসে ২০১৩ সালের অ্যানিমেশন ফ্রোজেন-এর ‘লেট ইট গো’ গানের মাধ্যমে। এ গানের জন্য তারা তাদের প্রথম অস্কার জিতেছিলেন।
ফ্রোজেন টুর কোন গানটি লেখা সবচেয়ে কঠিন ছিল—এমন প্রশ্নের উত্তরে রবার্ট লোপেজ বলেছেন, ‘শো
ইয়োরসেলফ’। ‘আমরা জানতাম এটা এলসার যাত্রার শেষ। আমরা একটু অস্পষ্টতায় ছিলাম সেখানে, সে পৌঁছনোর পর কী হবে তাই নিয়ে। আমরাও চাইছিলাম গান শুনে দর্শকরা যেন আগেভাগেই ছবির গল্প সম্পর্কে ধারণা করে নিতে না পারেন।’ রবার্ট আরো জানিয়েছেন, ‘শো
ইয়োরসেলফ’ গানটিকে শ্রোতারা যেভাবে শুনেছেন, শুরুতে গানটা মোটেও সে রকম ছিল না। তবে গানের কোরাসটা একই আছে।
ফ্রোজেনের পর স্বামী-স্ত্রীর একত্রে কাজের পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে ক্রিস্টেন অ্যান্ডারসন বলেছেন, তাদের মধ্যে গভীর আস্থার সম্পর্ক বিদ্যমান। আর তাই তাদের যৌথ লেখালেখিও দিন দিন আরো আস্থাপূর্ণ হয়ে উঠছে।
রবার্ট বলেন, ফ্রোজেন তার চোখ খুলে দিয়েছিল নারীর দুনিয়ার প্রতি। আমি ক্রিস্টেনের সঙ্গে অনেক দিন ধরে কাজ করছি, কিন্তু ফ্রোজেন ছবির পর আমি তাকে নেতা হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করি।
সূত্র: হলিউড রিপোর্টার










