এশতকের শুরুতে এসেছিল চার্লিজ অ্যাঞ্জেলস। সিনেমাটি দর্শক পছন্দ করেছিলেন। অভিনয় করেন ক্যামেরন ডায়াজ, ড্রিউ ব্যারিমোর ও লুসি লিউ। তাদের খুব একটা একসঙ্গে দেখা যায় না। তবে সম্প্রতি তিন অভিনেত্রী একত্র হয়েছিলেন। ভ্যানিটি ফেয়ারের সঙ্গে একটি ভিডিও ইন্টারভিউর সূত্র ধরে তারা একত্র হন। সঙ্গে ছিলেন ডেমি মুর। তার অভিনীত ‘দ্য সাবস্ট্যান্স’ অস্কারে মনোনীত হয়েছে। এছাড়া তিনিও চার্লিজ অ্যাঞ্জেলস সিনেমার অংশ। ২০০৩ সালের ‘চার্লিজ অ্যাঞ্জেলস: ফুল থ্রটল’-এ তিনি একজন সাবেক এজেন্ট হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। খলচরিত্র ছিল সেটি।
লুসি লিউ ডেমি মুরকে অভিনন্দন জানান তার সাফল্যের জন্য। তিনি বলেন, ‘তিনজনের পক্ষ থেকেই আমি তোমাকে অভিনন্দন জানাই। অসাধারণ পারফর্ম করেছো দ্য সাবস্ট্যান্সে। এ প্রতিভা তোমার মধ্যে সব সময়ই ছিল। ক্যামেরার সামনে তুমি দুর্দান্ত কাজ করতে পারো। সবসময়ই করেছ।’
লুসি লিউ একটা নির্দিষ্ট দৃশ্যের কথা বলেই মুরের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘যেখানে তুমি মেকআপ তুললে আর সমাজের বলে দেয়া ধারণার বাইরে গিয়ে বয়সের ছাপটা প্রকাশ পেল—ওই দৃশ্যটা অসাধারণ। মনে হলো এটাই একদম বাস্তব। এটা যেকোনো অভিনেত্রীর দ্বারা সম্ভব ছিল না। তুমি চরিত্রটা নিজের মধ্যে ধারণ করেছ।’
ক্যামেরন ডায়াজও এ কথার প্রতিধ্বনি করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নারীরা সবসময়ই নানা ধরনের কথা শুনতে বাধ্য হই। আমাদের বোঝানো হয় কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়। বিশেষত সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য একটা চাপ থাকে। এমনকি সেটা একজন সাধারণ নারীর ক্ষেত্রেও হয়। তারকার সঙ্গেই হতে হবে এমন নয়। আমরাও মেনে নিই সেসব। তুমি এ সিনেমার মধ্য দিয়ে সেই বিষয়টির প্রতিবাদ করেছ।’
চার্লির অ্যাঞ্জেলরা একমত হয়েছেন যে ইন্ডাস্ট্রি ও সমাজের নারীদের নিয়ে এ সমস্যাগুলো আছে। তবে ডায়াজ মনে করেন, ডেমি মুর তার সিনেমার মধ্য দিয়ে সেই প্রথায় আঘাত করেছেন। তবে সত্যি বলতে বিষয়টি নতুন নয়। এর আগেও চার্লিজ অ্যাঞ্জেল কাছাকাছি ধারায় কথা বলেছে। তারা বলতে চেয়েছে, নারীরাও নিজেদের জায়গায় যথেষ্ট শক্তিশালী।
সূত্র: ভ্যানিটি ফেয়ার










