উপন্যাসের মতো সিনেমায়ও জনপ্রিয় জেমস বন্ড। ১৯৬২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ড. নো’ দিয়ে সিনেমায় যাত্রা হয় বন্ডের। টেরেন্স ইয়ং পরিচালিত সিনেমাটিতে বন্ডের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শন কনারি। এরপর এসেছে বন্ডের আরো ২৪টি সিনেমা। ২০২১ পর্যন্ত মোট সাতজন অভিনয় করেছেন এ চরিত্রে। ওই বছর ‘নো টাইম টু ডাই’ দিয়ে বিরতিতে গেছে বন্ড। এরপর বদল হয়েছে প্রযোজক। ২০২১ সাল থেকেই হলিউডে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চর্চিত বিষয় ছিল কে হচ্ছেন নতুন বন্ড? সম্প্রতি বারবারা ব্রকোলি জেমস বন্ডের অনেকটা স্বত্ব অ্যামাজন এমজিএমকে দিয়েছেন। তারা ঘোষণা করেছে নতুন বন্ডের নির্মাতা হচ্ছেন দেনি ভিলেনোভ। তাই প্রশ্ন আবার জাগছে অভিনেতা নিয়ে। অ্যামাজন এমজিএমের পছন্দের তালিকায় আছেন জ্যাকব এরল্ডি, টম হল্যান্ড ও হ্যারিস ডিকিনসন।
অ্যামাজন এমজিএম নিজে থেকে কোনো অভিনেতার নাম করেনি। তবে কয়েকটি সূত্র থেকে ভ্যারাইটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে অ্যামাজন এমজিএম চাচ্ছে এবার বন্ডের বয়স ৩০ বছরের কম হোক। সে কারণেই তাদের নজর জ্যাকব এরল্ডি, টম হল্যান্ড ও হ্যারিস ডিকিনসনের দিকে। এ তিনজন আছেন তালিকার প্রথম দিকে। এছাড়া এসেছে অ্যারন টেইলর-জনসন ও হেনরি ক্যাভিলের নাম। এদের বয়স যথাক্রমে ৩৫ ও ৪২ বছর।
জেমস বন্ড তথা বন্ডের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, তা নিয়ে অনেক দিন ধরেই নানা কথা হচ্ছে। এর মধ্যে এসেছে ইদরিস এলবার নামও। তাকে নিয়ে বারবার গুঞ্জন উঠেছে। তবে এখন পর্যন্ত বন্ড নির্মাতাদের সঙ্গে তার কোনো সাক্ষাতের খবর মেলেনি। তাছাড়া জেমস বন্ডের চরিত্রে কোনো কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেতাকে নেয়ার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় বলেই মনে করা হয়।
এখন আরেকটি প্রশ্ন জাগে, যে তিনজন অভিনেতার নাম করা হচ্ছে তারা আসলে বন্ডের উপযোগী কিনা? কেননা এর আগে বন্ডের চরিত্রে অভিনয় করা শন কনারি, রজার মুর, পিয়ার্স ব্রসনানরা হলিউডের কিংবদন্তি। বন্ডের চরিত্রে সে কারণে পরিণত অভিনেতার প্রয়োজন। টম হল্যান্ডের অন ও অফস্ক্রিন উভয় ক্ষেত্রেই কিশোরোচিত আচরণের উদাহরণ আছে। তাই তাকে নিয়ে সন্দেহ থাকে। এছাড়া জ্যাকব এরল্ডি ও হ্যারিস ডিকিনসন উভয়েই সুদর্শন হলেও তাদের প্রফাইল বন্ডের চরিত্র করার মতো না। সেক্ষেত্রে হতে পারে অ্যামাজন এমজিএম চাইছে পরিচিত কিন্তু সুপারস্টার অভিনেতাদের বাইরে থেকে বন্ডকে বেছে নিতে।
সূত্র: ভ্যারাইটি










