বলিউড তারকা আলিয়া ভাট, তবে তার পদচারণা বলিউডেই সীমাবদ্ধ নয়। দক্ষিণী এমনকি হলিউডে অভিনয় করেও দেখিয়েছেন চমক। তার প্রভাব যে বৈশ্বিকভাবেই, সেটা আরো এক দফা প্রমাণ হলো। ইনস্টাগ্রামে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তার নাম। ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং প্লাটফর্ম হাইপ অডিটরের প্রতিবেদনের মতে, আলিয়া আন্তর্জাতিক আইকনদের মধ্যে ডোয়াইন জনসন ও জেনিফার লোপেজকে ছাড়িয়ে গেছেন। এ অগ্রগতি বিনোদন জগতে তার শক্তিশালী অবস্থানকে প্রমাণ করে।

আলিয়া তার মুগ্ধকর অভিনয়, ব্র্যান্ড সহযোগিতা ও সোশ্যাল মিডিয়া উপস্থিতির মাধ্যমে দর্শককে আকৃষ্ট করে চলেছেন। তার প্রভাব কেবল চলচ্চিত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, তিনি ফ্যাশন, বদান্যতা ও ডিজিটাল এনগেজমেন্টের ক্ষেত্রেও একজন ট্রেন্ডসেটার হয়ে উঠেছেন। সমগ্র বিশ্বে তার ভক্ত ও অনুসারীর সংখ্যাও তাই বিস্ময়কর।

হাইপ অডিটরের প্রতিবেদনটি এনগেজমেন্ট, রিচ ও প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে আলিয়াকে দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে। তার আগে রয়েছে শুধু হলিউড অভিনেত্রী জেন্ডেয়া। এর মাধ্যমে আলিয়া ইনস্টাগ্রামের তালিকায় সবচেয়ে ওপরে থাকা ভারতীয় সেলিব্রিটি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। সাড়ে আট কোটির বেশি অনুসারী নিয়ে আলিয়ার ইনস্টাগ্রাম উপস্থিতি বিশ্বব্যাপী ট্রেন্ড তৈরি করছে। ফিল্ম প্রচারণা থেকে শুরু করে ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট ও ব্যক্তিগত মুহূর্তকে দর্শকের সঙ্গে শেয়ার করা এবং আলিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কৌশল তার তারকাখ্যাতির সমান্তরালে রয়েছে। শীর্ষ ব্র্যান্ডের সঙ্গে তার সহযোগিতা, বৈশ্বিক প্রচারণা ও ভক্তদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক তার অসাধারণ সাফল্যে অবদান রেখেছে। ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’, ‘আরআরআর’ ও ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’ চলচ্চিত্রে তার অভিনয় বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তাকে জনপ্রিয় করেছে ভারতের বাইরেও।

আলিয়ার প্রভাব সিনেমার বাইরে আরো প্রসারিত। তিনি সমাজকল্যাণমূলক কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন, তার ব্র্যান্ড এড-এ-মাম্মার মাধ্যমে টেকসই ফ্যাশনকে সমর্থন করছেন এবং মেট গালা ডেবিউ ও হলিউড প্রজেক্ট হার্ট অব স্টোনসহ বৈশ্বিক প্লাটফর্মে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা