অভিনেতা জায়েদ খানের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ‘চুরা লিয়া হ্যাঁয় তুমনে’ সিনেমা দিয়ে। এটি দিয়ে খুব বেশি পরিচিতি পাননি। কিন্তু ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ম্যায় হু না’ দিয়ে তিনি যথেষ্ট পরিচিতি পান। ২০০৫ সালে তার চারটি সিনেমা মুক্তি পায়। এর মধ্যে ঐশ্বরিয়ার বিপরীতে ‘শব্দ’ ও অনুভব সিনহার ‘দশ’ মোটামুটি আলোচিত। ২০০৭ সালে অনুভব সিনহার সঙ্গেই কাজ করেছিলেন ‘ক্যাশ’ সিনেমায়। ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৮টি সিনেমায় অভিনয় করেন, কিন্তু এর মধ্যে ১৩টিই ফ্লপ। নায়ক হিসেবে কোনো সিনেমায় সফলতা পাননি। কিন্তু অভিনয় ছেড়ে ব্যবসা করে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। জায়েদের বর্তমান মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৫০০ কোটি রুপি।
জায়েদ খানের পুরো নাম জায়েদ আব্বাস খান। তিনি অভিনেতা-নির্মাতা সঞ্জয় খানের (আসল নাম আব্বাস খান) ছেলে। ফিরোজ খান তার চাচা ও ফারদিন খান চাচাতো ভাই। স্বাভাবিকভাবেই সিনেমা ছিল জায়েদের গন্তব্য। কিন্তু সেখানে যথার্থ সাফল্য পেলেন না। থাকতে হলো পার্শ্ব অভিনেতা হয়ে। এর পরই তিনি অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং তার অর্জিত ও জমা অর্থ বিভিন্ন স্থানে বিনিয়োগ করা শুরু করেন। উদ্যোক্তার এ জীবন ভালো কাটতে শুরু করে জায়েদের। এর আগে অবশ্য তিনি বিজনেস ম্যানেজমেন্টে পড়াশোনা করেন। একটি ডিগ্রি নিয়েছিলেন এ বিষয়ে। তার পরই ব্যবসায় নামেন। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সাল পর্যন্ত জায়েদ খানের সম্পদের পরিমাণ দেড় হাজার কোটি রুপি। তবে জায়েদ এ কথার সমর্থনে কিছু বলেননি, বিরোধিতাও করেননি।
জায়েদ খানের নানা ধরনের ব্যবসা আছে ভারত ও এর বাইরে। তিনি নিজেই সেসবের দেখভাল করেন। সম্পদের পরিমাণ অনুসারে, তিনি এখন রণবীর কাপুর, প্রভাস, আল্লু অর্জুন ও রাম চরণের চেয়েও ধনী। রণবীর কাপুরের মোট সম্পদ ৫৫০ কোটি রুপি। প্রভাসের ৪০০, আল্লু অর্জুনের ৩৫০ ও রাম চরণের ১৩০০ কোটি রুপি।
জায়েদ খানকে তার সাফল্যের সূত্র জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘মানুষকে তার নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে থাকতে হয়। একটা জনপ্রিয় কথা আছে। কারো যদি ফেরারি কেনার সামর্থ্য থাকে তার মার্সিডিজ কেনা উচিত। মার্সিডিজ কেনার সামর্থ্য থাকলে ফিয়াট।’ জায়েদ বলতে চান কোনো কিছু সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে করা উচিত নয়। এতে জীবন আগায় না বরং পেছায়। জায়েদ খান অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা ‘শারাফত গ্যায়ি তেল লেনে’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে










