গত শুক্রবার বছরের প্রথম সিনেমা হিসেবে মুক্তি পায় এলিনা শাম্মী অভিনীত সিনেমা ‘মধ্যবিত্ত’। এ সিনেমায় গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ভিন্ন ঘরানার গল্প নিয়ে মোট ১৩টি সিনেমা হলে মুক্তি পায়। সিনেমাটি দর্শক হলে গিয়ে দেখছেন এবং নানা মাধ্যমে শাম্মী তার অভিনয়ের জন্য সাড়া পাচ্ছেন। শাম্মীর ভাষ্যমতে, বছরের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে তার মধ্যবিত্ত এখন পর্যন্ত যারা দেখেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং তাদের কাছ থেকে যেভাবে সাড়া পেয়েছেন তাতে ভীষণ সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন বারবার।
তবে আগামী সপ্তাহে সিনেমাটি কোন কোন হলে প্রদর্শিত হবে তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত কিছু জানাননি। মধ্যবিত্ত সিনেমার টার্গেট অডিয়েন্স যারা ছিল তারা সিনেমাটি দেখছেন, এ নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত শাম্মী।
শাম্মী বলেন, ‘সিনেমাটি মুক্তির প্রথম দিন থেকেই তুলনামূলকভাবে বেশ ভালো যাচ্ছিল। দর্শক মধ্যবিত্ত দেখতে হলে আসছিলেন, এটা দেখতেই ভালো লাগছিল। কারণ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি কিন্তু ভালো নয়। তার পরও নতুন বছরের প্রথম সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর দর্শকের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস দেখেছি তা আমাকে ভীষণ আনন্দ দিয়েছে। আমি নিজেও সিনেমাটি দর্শকের সঙ্গে বসে দেখার জন্য কয়েকবার সিনেমা হলে গেছি। হল থেকে বেরিয়ে দর্শকের কাছ থেকে সিনেমাটি প্রসঙ্গে যা শুনেছি তা আমাকে আবেগাপ্লুত করেছে। দর্শকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা যে তারা হলে এসে সিনেমাটি উপভোগ করেছেন।’
অনেককেই দেখেছি পরিবার নিয়ে সিনেমা হলে এসেছেন। এটাও আরো ভালো লাগার বিষয়। সত্যি বলতে কী একজন প্রযোজক-পরিচালক সিনেমায় টাকা বিনিয়োগ করেন দর্শককে হলে আনার জন্য। অবশ্যই ব্যবসায়িক দিকও বিবেচনায় থাকে। তার পরও যখন দর্শক হলে আসে সিনেমাটি দেখার জন্য, তখন প্রযোজক-পরিচালকের চোখেমুখে আনন্দ ফুটে ওঠে। আনন্দটা নিয়েই তারা আবারো নতুন সিনেমা নির্মাণের অনুপ্রেরণা পান। আমরা চাই ভালো প্রযোজক আসুক, আমাদের সিনেমায় তারা বিনিয়োগ করুক, তাদের যেন অর্থের ক্ষতি না হয় সেদিকটাও ভাবতে হবে একজন পরিচালককে। মন দিয়ে যত্ন করে সিনেমাটি নির্মাণ করতে হবে। কারণ ভালো সিনেমা দর্শক সবসময়ই দেখতে চান। মধ্যবিত্ত যারা উপভোগ করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, সেই সঙ্গে আবারো নিমন্ত্রণ জানাচ্ছি হলে গিয়ে সিনেমাটি উপভোগ করার জন্য। শাম্মী এরই মধ্যে শেষ করেছেন ‘জলরং’, ‘ অপুর বসন্ত’, ‘চৈত্র দুপুর’, ‘লীলা মন্থন’ সিনেমার কাজ। শাম্মী অভিনীত প্রথম সিনেমা শাহ আলম কিরণের ‘৭১-এর মা জননী’।










