মালয়ালম নির্মাতা জিতু জোসেফের সিনেমা ‘দৃশ্যম’। ১১ বছর আগে মুক্তি পায় সিনেমাটি। এরপর এসেছে একটি সিক্যুয়াল। রিমেক হয়েছে কয়েকবার। ভারতের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি তো বটেই, সিনেমাটি কোরিয়ায়ও রিমেক হচ্ছে। এখন চলছে ‘দৃশ্যম থ্রি’র কাজ। মালয়ালম সিনেমাকে—বিশেষত থ্রিলার—বদলে দিয়েছিল দৃশ্যম। সে ঘটনার ১১ বছর পর এ সাক্ষাৎকারে মোহনলাল জানালেন, সিনেমাটি নিয়ে বহু অভিনেতার কাছে গিয়েছিলেন জিতু জোসেফ।
দৃশ্যম নিয়ে জিতু জোসেফের বহু দিনের চেষ্টা সম্পর্কে মোহনলাল বলেন, ‘সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার অন্তত পাঁচ বছর আগে এর চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করেছিলেন জোসেফ। গল্পটা নিয়ে বহু তারকা ও অভিনেতার কাছে গেছেন, কিন্তু কেউই তা পছন্দ করেননি। এক সময় ‘‘আশীর্বাদ’’ সিনেমার অ্যান্থনি পেরুম্বাবুর আমাকে বিষয়টা জানান। চিত্রনাট্য দেখে মনে হয়েছিল এটা অসাধারণ।’
দৃশ্যম মুক্তি পাওয়ার পরপরই তা হিট হয়। এরপর সিনেমাটি হিন্দিতে রিমেক করেন নিশিকান্ত কামাত। মূল চরিত্রে অভিনয় করেন অজয় দেবগন। একটা সিনেমা কেমন করে হিট হয় তা নিয়ে মোহনলাল বলেন, ‘সিনেমা হিট হয়, যখন এর মধ্যে এমন কোনো উপাদান থাকে যা দর্শক বাড়িতে নিয়ে যান। হতে পারে সেটা কোনো গান বা দৃশ্য। আর এ সিনেমায় পরিবারের প্রতি ভালোবাসার বিষয়টা দর্শক পছন্দ করেছিল।’
মালয়ালমে দৃশ্যম হিট করার পর তা থেকে রিমেক হয় তামিল, হিন্দিতে। কিন্তু এরপর সিক্যুয়াল আসতে সময় লাগে নয় বছর। এত দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে মোহনলাল বলেন, ‘আমরা এর সিক্যুয়াল নিয়ে ছয় বছর কাজ করেছি। এরপর কভিড-১৯ এল। আমরা কাজ করতে পারলাম না। তারপর সিদ্ধান্ত হয় থিয়েটারে নয়, সিনেমা মুক্তি পাবে ওটিটিতে। সেটা আমাদের জন্য ভালোই হয়েছিল। সারা বিশ্ব থেকে দর্শক দৃশ্যম টু দেখেছে।’
দৃশ্যমের তৃতীয় পর্বের কাজ চলছে। মোহনলাল জানান, দর্শক এখন সিনেমাটির জন্য অধীর হয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমি গুজরাটে একটি সিনেমার শুটিং করছিলাম। সে সময় দর্শক আমার কাছে বার বারই দৃশ্যম থ্রির কথা জানতে চেয়েছে।’
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










