বাফটায় প্রথম এলেন আলিয়া ভাট। তার উপস্থিতি তাই শুধু একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে হাজিরা নয়, ছিল এক স্টাইল স্টেটমেন্টও। সে স্টেটমেন্টের অনুপ্রেরণা মেরিলিন মনরো।
মুম্বাই থেকে লন্ডনে উড়ে এসে জুম কলে ভোগ ইন্ডিয়াকে আলিয়া বলেন, ‘৩০ পেরোলেই জেট ল্যাগটা অনেক বেশি টের পাওয়া যায়।’ কিন্তু দীর্ঘ সফরের ক্লান্তির কোনো ছাপ ছিল না তার উপস্থিতিতে। কাস্টম গুচি পোশাকে তিনি ছিলেন ঝলমলে। রুপালি সিকুইন আর সূক্ষ্ম মাইক্রোবিডে এমব্রয়ডারি করা ব্যাকলেস হল্টার-নেক গাউনে ছিল সিনেমাটিক আভা।
লন্ডনের কনকনে ঠাণ্ডার কথা মাথায় রেখে মেরিলিন মনরোর একটি বিখ্যাত ছবিকে রেফারেন্স হিসেবে বেছে নেন। ঝিকিমিকি রুপালি গাউন, কাঁধে সাদা স্টোল, খাঁটি ওল্ড হলিউড গ্ল্যামার। হাসতে হাসতে বলেন আলিয়া, ‘ভাবলাম, ঠাণ্ডা তো পড়বেই, আর পোশাকটা ব্যাকলেস’। সে ভাবনা থেকেই তৈরি হয় একটি শিয়ারলিং র্যাপ, যা তার বেসপোক গাউনের সঙ্গে দারুণ মানিয়েছে।
বাফটায় তিনি মঞ্চে উঠেছিলেন ইংরেজি ভিন্ন ভাষা সেরা ফিল্ম বিভাগের পুরস্কার বিভাগে পুরস্কার দিতে। তাই তার কথায়, ‘আমি গ্ল্যামার আনতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সেটাকে খুব এলিগ্যান্ট রাখতে, যেন কিছুই বাড়াবাড়ি না লাগে। পোশাকটা শরীরে খুব হালকা অনুভূত হয়।’
তার কিছু অভিজ্ঞতা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করেও নিয়েছেন। পছন্দের চাইনিজ খাবারের জন্য তার গন্তব্য মিমি মেফেয়ার, প্রিয় ট্রেস লেচেস কেকের জন্য এল’ইটো। সবকিছু মিলিয়ে প্রথম বাফটায় আলিয়া ভাটের উপস্থিতি কেবল এক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মুহূর্ত নয়; এটি ছিল ঐতিহ্য, আধুনিকতা ও ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের এক সুনিপুণ মেলবন্ধন। সেখানে মেরিলিনের গ্ল্যামার মিলেছে আলিয়ার নিজস্ব আভায়।
সূত্র: ভোগ ইন্ডিয়া










