ওয়ার্নার ব্রোসের ব্যানারে ২০২৩ সালে মুক্তি পায় ‘দ্য ফ্ল্যাশ’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্ডি মাসচিয়েত্তি। নিজের মতো করে সিনেমাটি সাজানোর পাশাপাশি বেশ কয়েকজন পুরনো অভিনেতা ও সিনেমার ঘটনা যোগ করেছিলেন। কিন্তু ২০ কোটি ডলারে নির্মিত এ সিনেমা বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছে। বছরের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তি পেয়ে এটি আয় করেছিল ২৭ কোটি রুপির কিছু বেশি। খরচ ও সম্ভাবনা অনুসারে, আয় করার কথা ছিল এর দ্বিগুণ। সে অনুসারে, ওয়ার্নার ব্রোস প্রচারণাও করেছিল। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। সবার কাছে সিনেমাটি আবেদন তৈরি করেনি। অ্যান্ডি মাসচিয়েত্তি মনে করেন, সব বয়স ও শ্রেণীর দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারেনি দ্য ফ্ল্যাশ।

ওয়ার্নার ব্রোস তাদের সম্ভাব্য দর্শককে চার ভাগে ভাগ করেছিল। এর মধ্যে তারা মূল একটা বিষয় ধরেছিল বয়সকে। ২৫ বছরকে রেফারেন্স পয়েন্ট ধরে এর বেশি ও কম বয়সী নারী পুরুষকে টার্গেট করেছিল আলাদাভাবে। অ্যান্ডি মাসচিয়েত্তি বলেন, ‘চার ভাগে আমরা দর্শককে দেখেছিলাম, কিন্তু কোনো ভাগের কাছেই পুরোপুরি পৌঁছতে পারিনি। অথচ সেটাই প্রয়োজন ছিল।’ এ কথা বলার সঙ্গে মাসচিয়েত্তি মজা করে বলেন, ‘২০ কোটি ডলার খরচে নির্মিত সিনেমায় ওয়ার্নার ব্রোস আমার দাদিকেও থিয়েটারে আনার চেষ্টা করবে।’

তিনি আরো জানান, এমনিতে ডিসির অন্যান্য চরিত্রের তুলনায় দ্য ফ্ল্যাশ দিয়ে দর্শকের আগ্রহ কম। ফ্ল্যাশের কি হলো না হলো তা নিয়ে দর্শক মাথা ঘামায় না। কিন্তু ‘ব্যাটম্যান’ ও ‘সুপারম্যান’ নিয়ে তারা আগ্রহী। মাসচিয়েত্তি জানান, নারীদের মধ্যে এ প্রবণতা আরো বেশি।

কিন্তু কেবল এ কারণেই সিনেমাটি ব্যর্থ হয়েছে বললে ভুল হবে। কেননা এজরা মিলারকে নিয়ে দীর্ঘদিন বিতর্ক চলেছে। নারীঘটিত কারণে তিনি সমালোচনায় ছিলেন। সিনেমার ওপর এর বড় একটা প্রভাব পড়েছে। বারবার পেছানোর পর যখন ফ্ল্যাশ মুক্তি পায়, তখন দর্শকের অতটা আগ্রহ আর ছিল না।

সূত্র: ভ্যারাইটি