খুবই প্রখ্যাত একজন নির্মাতা’র মাধ্যমে ক্যারিয়ারের শুরুতে হলিউড অভিনেত্রী শার্লিজ থেরন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল পাবলিক রেডিওর মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানালেন এ অভিনেত্রী।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে শার্লিজ জানান, ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৪ সালে। স্যাটারডে নাইটের অডিশনের জন্য তিনি এক নির্মাতার বাড়িতে গিয়েছিলেন। এরপর সেই নির্মাতা ‘সিল্কের একটি পাজামা পরিহিত ছিলেন এবং আমাকে ড্রিংক করার প্রস্তাব দেন। এ সময় তিনি আমার হাঁটু স্পর্শ করেন’—ঘটনার বিবরণ দেন শার্লিজ থেরন। এ ঘটনার পর কৌশলে শার্লিজ সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং বলেন, ‘তখন আমার কেবলই শুরু (ক্যারিয়ার) হয়েছিল। কোনো কিছু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছুই জানতাম না।’

থেরন যোগ করে, ‘আপনার যদি কোনো অভিজ্ঞতা না থাকে, তাহলে মাথা থেকে বিষয়টি ঝেড়ে ফেলা খুবই কঠিন হবে। এমনকি ক্যারিয়ার শুরুর পরও আমি নিজেই বুঝতে সক্ষম ছিলাম না যে এটা ছিল আসলেই যৌন নিপীড়ন।’

এতদিন পরও কেন নিপীড়ক সে পরিচালকের নাম প্রকাশ করেননি ৪৪ বছর বয়সী বোম্বশেলখ্যাত এ অভিনেত্রী? এ নিয়ে শার্লিজের বক্তব্য, ‘আসলে আমি তার নাম প্রকাশ করেছি।’ তিনি যোগ করেন, ‘আপনারা জানেন না যে প্রতি মুহূর্তে আমি তার নাম প্রকাশ করেছি। কিন্তু সংবাদকর্মীরা তার নাম না লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এর দ্বারা এটাই প্রকাশ হয় যে পদ্ধতিগত সমস্যা কত গভীরে লুকিয়ে আছে।’ থেরন চালিয়ে যান, ‘আমার মনে আছে, প্রথমবার কেউ একজন আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল... এরপর আমি তার (নিপীড়কের) নাম ধরে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলাম। কিন্তু ব্যক্তিটি তার নাম (নিপীড়কের) না লেখার সিদ্ধান্ত নিলেন। এরপর অবাক করে দিয়ে তখনই গল্পটি প্রকাশ পেল, যখন প্রথমবারের মতো হার্ভি ওয়াইন্সটাইনের ঘটনাগুলো প্রকাশ পেতে থাকল।’ এ রকম হওয়ায় শার্লিজ ভীষণ মুষড়ে পড়েছিলেন বলেও জানান।

এখন তিনি সেই নিপীড়ক নির্মাতার নাম প্রকাশ করবেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার মনে হয় উপযুক্ত সময় ও পরিস্থিতি যখন আসবে, তখন আমি অবশ্যই বিষয়টি শেয়ার করব।’ তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সবসময়ই আমি সৎ থাকতে চেয়েছি। আমার কোনো খায়েশ নেই তাকে রক্ষা করার। কিন্তু আমি এও