গোল্ডেন গ্লোবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন ডেমি মুর। এ সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন মার্গারেট কোয়ালি। সিনেমায় দুই অভিনেত্রীর ওপরই প্রস্থেটিক মেকআপ ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে মার্গারেটের ত্বকে নানা রকম সমস্যা দেখা যায়। এ কারণে সিনেমার নির্মাতা কোরেইল ফাউজা কিছু দৃশ্য এমনভাবে তুলেছেন যেন মার্গারেটের মুখ স্পষ্ট দেখা না যায়। সম্প্রতি মার্গারেট জানালেন, প্রস্থেটিক থেকে তৈরি হওয়া এসব সমস্যা ঠিক হতে প্রায় এক বছরের মতো সময় লেগেছে।

‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টে মার্গারেট বলেন, ‘একটা দৃশ্যে দেখবেন পাম গাছগুলো দেখা যাচ্ছে আর আমার পায়ের দিকটা দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লেন্সে। এ সময় চেহারার অবস্থা এমন ছিল যে ওরা আমার মুখ ক্যামেরায় আনতে পারেনি। চেহারার অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল তখন।’

দ্য সাবস্ট্যান্স শেষ করার পরও অনেক দিন প্রস্থেটিকের কারণে সমস্যা ভোগ করেছেন মার্গারেট। তার ত্বকে রীতিমতো এক ধরনের ব্যথা হতো। এরপর তিনি শুট শুরু করেন ‘কাইন্ডস অব কাউন্ডনেস’ সিনেমার। ইয়র্গস ল্যান্থিমোসের এ সিনেমায় চারটি চরিত্র আছে মার্গারেটের—ভিভিয়ান, মার্থা, রেবেকা ও রুথ। মজার ব্যাপার হলো সাবস্ট্যান্স থেকে হওয়া সমস্যা এ সিনেমায় তাকে সুবিধা দিয়েছিল।

মার্গারেট বলেন, ‘সিনেমাটিতে দেখবেন আমি চরিত্রের প্রয়োজনে কাতরাচ্ছি। আসলে দ্য সাবস্ট্যান্সের প্রস্থেটিক আমার ত্বকে যে ব্যথা সৃষ্টি করেছিল সেটাই ভোগাচ্ছিল। আমার অবশ্য তখন মজাই হচ্ছিল। জিনিসটা কাজে লেগে গিয়েছিল।’

দ্য সাবস্ট্যান্স থেকে পাওয়া এ সমস্যা সমাধা হতে সময় লেগেছিল অনেক। এ নিয়ে মার্গারেটকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রায় এক বছর লেগে গেছে এটা ঠিক হতে।’

এ বছরের পুরস্কার মৌসুমে এসে বেশ পাত্তা পাচ্ছে সিনেমাটি। মূলত কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে আলোচিত হলেও সিনেমাটি নিয়ে এখন আরো বেশি প্রশংসা হচ্ছে। এমনিতে হরর জনরার সিনেমা পুরস্কারে খুব বেশি পাত্তা পায় না। আবার দ্য সাবস্ট্যান্সকে হররও বলেন না সবাই। সাইকোলজিক্যাল সিনেমা বলেই মনে করেন অনেকে। দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে এবার তাই গোল্ডেন গ্লোব গেল ডেমি মুরের ঘরে।

সূত্র: ভ্যারাইটি