তবে ঈদের নাটকের পরও নতুন নাটক আসছে। তার মধ্যে একটি নাটক একেবারেই ভিন্ন ধারার। নামেই এর প্রমাণ মেলে। মো. জামাল হোসেনের গল্প ভাবনায় ও সেরনিয়াবাত শাওনের চিত্রনাট্য, পরিচালনায় নির্মিত নাটক ‘মৎস্য কন্যা’। রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্টে নাটকটি প্রকাশ হয়েছে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী সাফা কবির। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার।

নাটকে সাফার চরিত্রের নাম ইরা, রাফি চরিত্রে আছেন খায়রুল বাসার। এর গল্পটি মৎস্য কন্যাকে ঘিরে। মূল চরিত্রে আছেন সাফা। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই কিন্তু আমার খুব প্রিয় এরিয়েল মারমেইড। আমার অনেক এরিয়েল মারমেইড সংগ্রহেও ছিল। ছোটবেলায় ভাবতাম, সত্যিই কি মারমেইড আছে? বড় হয়েও আমার মাঝে ভাবনা কাজ করে, মারমেইড বা মৎস্য কন্যা কি সত্যিই বিদ্যমান কিনা। যখন আমার কাছে এ নাটকের গল্প নিয়ে আসেন পরিচালক, তখন আমার খুব ভালো লেগে যায়।’

এ নাটকের নির্মাতাদের সঙ্গে আগেও কাজ করেছেন সাফা। এ নিয়ে তিনি বলেন. ‘শাওন ভাইয়ের নির্দেশনায় এর আগেও আমি বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেছি। যে কারণে তার কাজের প্রতি আমার আস্থা আছে। তাই তিনি বলার সঙ্গে সঙ্গেই আমি রাজি হযে যাই। গল্পটা মূলত জামাল ভাইয়ের। রূপান্তর করেছেন শাওন ভাই।’

খায়রুল বাসারেরও প্রশংসা করেছেন সাফা। তিনি বলেন, ‘খায়রুল বাসার আমার খুবই পছন্দের একজন অভিনেতা। বাসার এত শান্ত যে তার সঙ্গে কাজ করতে আমি ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমার কাছে মনে হয় আমার সঙ্গে বাসারের বেশ মিল আছে, বিশেষত আমি যেমন চুপচাপ, আরামপ্রিয় এবং কাজের প্রতি ডেডিকেটেড, বাসারও ঠিক তেমনি।’

এর বিপরীতে খায়রুল বাসার বলেন, ‘সাফার সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা ভীষণ ভালো। ভীষণ ডেডিকেটেড একজন অভিনেত্রী। যে চরিত্রেই অভিনয় করে তা যেন পারফেক্ট। সেজন্য সাফা অনেক শ্রমও দিয়ে থাকে। ব্যক্তিগতভাবে সে খুবই হাসিখুশি একজন ঠাণ্ডা প্রকৃতির মানুষ। আমাদের বন্ধুত্ব কিংবা যোগাযোগটাও খুব ভালো। সবদিক বিবেচনা করলে সাফার সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য স্বস্তিকর এবং ভালো লাগার।’