আগামী শুক্রবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে ডিজনির স্নো হোয়াইট। সিনেমাটির হলিউড প্রিমিয়ার হলো দুদিন আগে। এর পর থেকেই স্নো হোয়াইট নিয়ে প্রশংসা হচ্ছে। বলা হচ্ছে অনেক দিন পর লাইভ অ্যাকশনে নতুন কিছু আনতে পেরেছে ডিজনি। অবশ্য এ নতুন মানে নতুন সিনেমা নয়, নতুন ধারার উপস্থাপনা। রিমেক তো ডিজনি আগে থেকেই করে আসছে, কিন্তু এ সিনেমার ভিজুয়াল ট্রিটমেন্ট নিয়ে সন্তোষ দেখা যাচ্ছে দর্শকের মধ্যে। এর মধ্য দিয়ে সিনেমাটি সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বক্স অফিসে সিনেমাটি ভালো করবে এটাও মনে করা হচ্ছে।

ভ্যারাইটির প্রতিবেদক ক্যাচি স্টেফান এর জন্য অভিনেত্রী র‍্যাচেল জেগলারের প্রশংসা করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ সিনেমার ভিজুয়াল দর্শকের জন্য একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে উঠতে যাচ্ছে।’

তিনি জানান, সিনেমাটিতে প্রচুর পরিমাণে চমৎকার গান থাকার পাশাপাশি আছে অ্যানিমেটেড পশুপাখি। তাদের এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে গল্পের সঙ্গে মিলে যাবে। দর্শকও পছন্দ করবে। তাদের চোখ জুড়াবে। তিনি বলেন, ‘চিত্রনাট্য এবার নতুন করে লেখা হয়েছে এবং সেখানে নায়িকা বা মূল চরিত্রের গভীরতা আরো বেড়েছে। এ গল্পের জন্য বিষয়টা জরুরি। মূল গল্পে নায়িকার বাবা চেয়েছিলেন তার মেয়ে নেত্রী হয়ে উঠুক। এখানে সেটা পাওয়া যায়।’

অনলাইনে বেশ সক্রিয় সমালোচক ক্রিস্টোফার লেখেন, ‘স্নো হোয়াইট মূলত ডিজনির স্মরণকালের অন্যতম সেরা লাইভ অ্যাকশন। এখানেই শেষ নয়। ১৯৩৭ সালের সিনেমাটিকে আবারো জীবন্ত করে তোলা হচ্ছে এর মাধ্যমে। স্নো হোয়াইট চরিত্রে র‍্যাচেল জেগলারকে দেখলে মনে হবে তিনিই স্নো হোয়াইট। জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন তিনি।’

ফিল্মহাউন্ডের সম্পাদক পল ক্লেইন বলেন, ‘আমি হয়তো পরে এ কথার জন্য আফসোস করতে পারি, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে স্নো হোয়াইট একটা নিরেট সিনেমা। আমি সংগীত উপভোগ করেছি। বিশেষত শুরুর সংগীতটা দারুণ ছিল। মূল চরিত্রে জেগলার অসাধারণ অভিনয় করেছেন। গাল গাদতও দারুণ। সিজিআই নিয়েও ভালো কাজ হয়েছে।’

উল্লেখ্য, স্নো হোয়াইট সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মার্ক ওয়েব। ১৯৩৭ সালের অ্যানিমেশন ক্ল্যাসিক ‘স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্য সেভেন ডোয়ার্ফ’কে নতুন করে লাইভ অ্যাকশনে আনা হলো। এতে ইভিল কুইনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন গাল গাদত।

সূত্র ও ছবি: ভ্যারাইটি