শিল্পী কেনড্রিক ল্যামার এবার গ্র্যামিতে বাজিমাত করেছেন। সং অব দ্য ইয়ার, রেকর্ড অব দ্য ইয়ার দুটো পুরস্কারই গেছে তার ঝুলিতে। বিয়ন্সেকে টপকে গেছেন এ র্যাপার। এছাড়া ল্যামারের গানের কথা, সুর ও প্রেক্ষাপট নিয়ে হয় আলোচনা। এর মধ্য থেকেই আজ কেনড্রিকের সেরা ছয়টি গানের পরিচিতি নিয়ে হাজির হচ্ছে টকিজ
অল দ্য স্টারস
ল্যামারের ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ অ্যালবামের মূল গান ‘অল দ্য স্টারস’। রায়ান কুগলার পরিচালিত মার্ভেলের ব্ল্যাক প্যান্থারের সঙ্গে এর যোগাযোগ আছে। গানটি অ্যালবামের অন্যান্য সাউন্ডট্র্যাকের তুলনায় কম আলোচিত হলেও সেরা দশের মধ্যে রাখা যায়। এ গান এমটিভির ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, একাডেমিক অ্যাওয়ার্ডে মনোযোগ পেয়েছে।
অলরাইট
গানটি শুরু হয় অ্যালিস ওয়াকারের ‘দ্য কালার পার্পল’ উপন্যাসের রেফারেন্স দিয়ে। বলা হয় ‘অলস মাই লাইফ আই হ্যাজ টু ফাইট’। তিনি এ গানে কৃষ্ণাঙ্গদের কথা বলেন। ফোর্থ সিঙ্গেল হিসেবে মুক্তি দেয়া এ গান দ্রুতই ‘প্রটেস্ট সং’ হিসেবে জনপ্রিয়তা পায়। সবার মুখে মুখে স্লোগানের মতো এ গান চলতে থাকে।
ব্যাকসিট ফ্রিস্টাইল
ল্যামারের সম্পর্কে অনেকে বলেন যে তিনি জানেন, কোন সময় কোমল হতে হবে আর কোন সময় কঠোর। লিরিকে কখনো তিনি গর্জন করে ওঠেন। ব্যাকসিট ফ্রিস্টাইলে এক্ষেত্রে তিনি সর্বোচ্চ প্রভাব নিয়ে এসেছেন। এ ট্র্যাকে গুড কিড, ম্যাড সিটি, বিচ ডোন্ট কিল মাই ভাইব ইত্যাদির সঙ্গে তুলনা করা হয়।
ডিএনএ
গানের জগতে কখনো এমন হয়, একটা গান ভালো সাড়া পেল তো একটা পেল না। এর মধ্যে কেনড্রিক ল্যামার অবশ্য যেন চাইলেই একটা গান দিতে পারেন, যা শ্রোতা মাতাবে। কিন্তু তিনি শ্রোতাদের সঙ্গে নিজেকেও চ্যালেঞ্জ করতে চান। তার ‘টু পিম্প আ বাটারফ্লাই’ ছিল জ্যাজ ঘরানার। কিন্তু এর মধ্যে তিনি এনেছিলেন ‘ডিএনএ’। র্যাপ দিয়েও যে শ্রোতাদের মন গলানো যায়, এ গান তা প্রমাণ করেছিল।
পোয়েটিক জাস্টিস
নাম শুনেই গানটির প্রতি আগ্রহ জাগা স্বাভাবিক। এটি গুড কিড ম্যাড সিটির একমাত্র রোমান্টিক গান। ল্যামারের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটি একটি। সেই সঙ্গে পোয়েটিক জাস্টিস বাণিজ্যিক সাফল্যেও এগিয়ে আছে ল্যামারের অন্যান্য গানের তুলনায়।
সুইমিং পুল (ড্রাঙ্ক)
এ গান যখন প্রকাশ হয়, ল্যামার তখনো তরুণ। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে তার পথ চলার প্রথম দিকের গান এটি। কিন্তু সেখানেই পেয়েছিলেন সাফল্য। এ গানে অ্যালকোহল অ্যাবিউজ নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। গানটির মধ্য দিয়ে পলিটিক্যাল শিল্পী বা শিল্পে রাজনীতির বিষয় আনার জন্য ল্যামারের দিকে নজর পড়ে শ্রোতা ও সমালোচকদের।
সূত্র: ভ্যারাইটি










