যদি মানুষের স্বভাব চরিত্র ভালো হয়, তবে বংশে কী আসে যায়। কিন্তু না, বংশ ও উত্তম ব্যবহার দুটোই যে প্রয়োজন একজন ভালো মানুষ হতে গেলে। আবার ফকির বংশের লোকজন যে ফকির নয়, কিংবা চৌধুরী বাড়ির সবাই যে জমিদার নয়, তেমন উদাহরণও এ সমাজে অহরহ রয়েছে। এ নিয়ে বিতর্কেরও যেন শেষ নেই। এমনই স্যাটায়ার কমেডি গল্প নির্মাণ করলেন নির্মাতা মো. ফাহাদ। বংশ মর্যাদা নাটকটির কারিগর অর্থাৎ রচয়িতা রাজীব মণি দাস। নাটকটির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আ খ ম হাসান ও মৌসুমী হামিদ। আরো থাকছেন রেশমা আহমেদ, কাজী রাজু, ফরিদ হোসাইন প্রমুখ।

নাটকটি নিয়ে মো. ফাহাদ বলেন, ‘জমিদার বাড়ির সবাই যেমন কালক্রমে জমিদার থাকে না তেমনি ফকির লোকজনও ফকির থাকে না। এটা আদতে একটি খানদানি বংশ। কিন্তু দুষ্টু লোকদের কি আর সেই খানদানির চৌকাঠে আটকানো যায়? সে বিষয়টিই প্রকাশ পাবে বংশ মর্যাদা নাটকটির মাধ্যমে।’

নাটকের রচয়িতা রাজীব মণি দাস বলেন, ‘প্রচলিত জীবনধারণের ক্ষেত্রে নানাবিধ অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটে। তেমনই একটি ঘটনা নিয়ে বংশ মর্যাদা গল্পে সমাজের সে চিত্রটিই তুলে ধরা হলো নাটকীয়তার মাধ্যমে।’

নাটকে দেখা যাবে আরিফ চরিত্রটি গ্রামের প্রভাবশালীদের মধ্যে একজন হলেও তার নামের সঙ্গে জুড়ে আছে ফকির পদবি। গ্রামের কারো সঙ্গে আরিফের দেখা হলে তাকে ফকির বলে ডাকলে সে উত্তেজিত হয়ে যায়। তার এত সুন্দর নাম থাকতে কীসের জন্য তাকে ফকির বলে ডাকতে হবে!