চলতি দশকে ব্যবসাসফল ছবির তালিকায় এবারো বলিউডের তিন খান এবং অক্ষয় কুমার অভিনীত ছবিগুলো সারির প্রথমে রয়েছে। পঞ্চাশের কোটায় এসেও হিরোর ভূমিকায় অভিনয় করেন তারা। কিন্তু চলতি দশকে বলিউডের আরো কিছু ছবি নির্মিত হয়েছে, যেগুলো বক্স অফিসে ঝড় না তুললেও গল্পের দিক থেকে অনেক এগিয়ে ছিল, সহজ ভাষায় বলা যায় আন্ডাররেটেড ছবি। কনটেন্টপ্রিয় চলচ্চিত্রপ্রেমীরা ছবিতে ভালো গল্প ছাড়া আর কিছুই চান না। আয়ুষ্মান খুরানা, রাজকুমার রাও, বিক্রান্ত মেসি এবং নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী—এ অভিনেতাদের সাফল্যই তার জ্বলন্ত উদাহরণ। ছবির গল্পের দিক থেকে এ দশকটি অনেক এগিয়ে ছিল বলে মনে করা হয়। ব্যবসাসফল ছবির বাইরে বলিউডের আন্ডাররেটেড ১০টি ছবির তালিকা এক নজরে দেখে নেয়া যাক—

উড়ান (২০১০)

২০১০ সালে নির্মিত স্বল্প বাজেটের এ ছবিটি ছিল অনুপ্রেরণামূলক। একজন টিনএজারের বদরাগী বাবার শাসনের কবল থেকে বেরিয়ে জীবনে নিজের মতো করে বাঁচার গল্প তুলে ধরা হয় এ ছবিতে। উড়ান পরিচালনা করেন বিক্রমাদিত্য মতওয়ানে। স্বাধীনতার অপার আনন্দ কী রকম হতে পারে, উড়ানে তা দেখানোর চেষ্টা করা হয়। নিঃসন্দেহে এটি একটি আশাজাগানিয়া ছবি।

ধোবি ঘাট (২০১১)

এ ছবি সমালোচকদের কাছে বেশ প্রশংসিত হলেও ব্যবসার দিক থেকে ততটা সফল হয়নি। অস্বাভাবিক প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ছবিটি পরিচালনা করেন কিরণ রাও এবং প্রযোজনা করেন আমির খান। ছবিতে প্রধান চরিত্রগুলোর একটিতে অভিনয় করেন আমির খান। এছাড়া অভিনয় করেন প্রতীক বব্বর ও মনিকা ডোগরা।

সাংহাই (২০১২)

‘ইয়ে ইন্ডিয়া, আপকো স্যুট নেহি কারেগা’—সংলাপটি সাংহাই ছবিতে ইমরান হাশমির মুখে শোনা যায়। দিবাকর ব্যানার্জির রাজনৈতিক এ ছবি বর্তমান প্রেক্ষাপটে এখনো প্রাসঙ্গিক। প্রহসনমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থার পাশাপাশি ক্ষমতাবান লোকেরা কীভাবে সিস্টেমের অপব্যবহার করে, তা এই ছবিতে দেখানো হয়। ছবিতে অভয় দেওল, ইমরান হাশমি, কালকি কোয়েচলিনের সঙ্গে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

লুটেরা (২০১৩)

বলিউডে প্রেমের কাহিনীনির্ভর ছবিগুলোর মধ্যে অল্পসংখ্যক ছবি আছে, যেগুলো দর্শকরা এখনো মনে রেখেছেন। তার মধ্যে লুটেরা একটি। টাইমলেস ছবিটি পরিচালনা করেন বিক্রমাদিত্য মতওয়ানে, যিনি খুবই সূক্ষ্মভাবে পাখি (সোনাক্ষী সিনহা) ও বিজয়ের (রণবীর সিং) প্রেমের গল্প উপস্থাপন করেন।

হাসি তো ফাঁসি (২০১৪)

চলচ্চিত্রের জগতে মনে করা হয়, একজন নায়ক হবেন আকর্ষণীয়, ত্রুটিহীন এবং প্রতিটি