এদিকে নুহাশও কাজ করছেন তার সিনেমা মুভিং বাংলাদেশ নিয়ে। কখনো চিত্রনাট্য, কখনো প্রি-প্রডাকশন, আবার কখনো বাজেট সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। ফলে শুটিং শুরু করা হয়নি। এপ্রিলের শুরুতেই জানিয়েছিলেন, এ মাসে শুটিং শুরু হবে। অবেশেষে গতকাল শুরু হলো শুটিং। জানা গেছে, ঢাকার প্রায় ২০টি লোকেশনে হবে সিনেমার শুটিং।
নুহাশ হyমায়ূনের কাজগুলো তাকে দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মেও পরিচিতি দিয়েছে। চলচ্চিত্র নির্মাণে তিনি কোনো তাড়াহুড়া করেননি। নুহাশ জানান, তিনি পাঁচ-ছয় বছর সময় নিচ্ছেন কেবল নিজের মতো করে সিনেমা বানানোর জন্য। চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করেছেন, বাজেটের জন্য ঘুরেছেন। তিনি বলেন, ‘চাইলে দ্রুত কাজ করা যেত, সেটা চাইনি। প্রথম সিনেমায় নিজের মতো সময় নিয়েছি। যেখানে যতটা দরকার ছিল, সেভাবে কাজ এগিয়ে নিয়েছি। এজন্য পুরো টিমের সহযোগিতা ছিল। এখন কাজটা পরিকল্পনামতো পর্দায় তুলে ধরতে চাই।’
নুহাশ তার গল্পে নিয়ে আসছেন একজন বাইক রাইডারের সংগ্রাম। তবে কাস্টিং নিয়ে এখনো কিছু জানাননি নুহাশ হyমায়ূন। তিনি জানান, পরে আরো সময় নিয়ে ও আড়ম্বরের সঙ্গে তারা প্রকাশ করবেন কাস্টের বিস্তারিত। নুহাশ বলেন, ‘তবে এটুকু বলব, কোনো তারকা নন, আমাদের সিনেমার প্রধান চরিত্র নতুন মুখ। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে সিনেমার সঙ্গে যায়, এমন চরিত্র খুঁজছিলাম। অনেকবার আমরা অডিশন নিয়েছি। সময় নিয়েই চরিত্রের সঙ্গে যায়, এমন কাউকে বেছে নিয়েছি।’
কেবল শুটিং শুরু করলেন নুহাশ। তিনি জানান, মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত শুটিং চলবে। পরে একটানা সিনেমার পোস্ট-প্রডাকশনের কাজ করতে চান তিনি।
সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত আছে আন্তর্জাতিক একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। মুভিং বাংলাদেশের চিত্রনাট্য বিশ্বের একাধিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে তহবিল পেয়েছে। একই সঙ্গে পেয়েছে আন্তর্জাতিক প্রযোজক। সিনেমাটি ২০২১ সালে প্রথম তাইওয়ানের তাইপে ফিল্ম কমিশন থেকে ৮৯ হাজার ৮০০ ডলারের তহবিল পায়। এরপর সিনক্রাফট ফিল্ম ফান্ড থেকে ২৫ লাখ টাকা পেয়েছে। এখানেই শেষ নয়। টোকিও গ্র্যান্ট ফাইন্যান্সিং মার্কেট, কান উৎসবের মার্শে দ্যু ফিল্ম বাজার, লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসব ও ভারতের ফিল্ম বাজার থেকে নানা সহযোগিতা পেয়েছে।










