অক্ষয় কুমারের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি হাউজফুল ৪। দীপাবলির সময় ছবিটি বক্স অফিসে ঝড় তোলে এবং এখনো ইতিবাচক ধারায় চলছে। মুক্তির দ্বিতীয় শনিবার পর্যন্ত ছবিটি ১৫৫ কোটি ২৫ লাখ রুপি আয় করেছে। দেশীয় বাজারে এ আয় ঈর্ষণীয়। অক্ষয় কুমার ছাড়াও এ চলচ্চিত্রে অন্য প্রধান চরিত্রগুলোয় আছেন রিতেশ দেশমুখ, ববি দেওল, কৃতী শ্যানন, পূজা হেজ ও কৃতী খারবান্দা। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ফরহাদ সামজি। নাদিয়াদওয়ালা গ্র্যান্ডসন এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা।
গণমাধ্যমের বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে হাউজফুল ৪-এর বক্স অফিস নাম্বার নিয়ে জালিয়াতির খবর ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি একটি আলোচনায় বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে অক্ষয় এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেন। পিটিআইয়ের এক সাংবাদিক অক্ষয়কে জিজ্ঞাসা করেন, এ ধরনের প্রতিবেদনে তিনি কষ্ট পেয়েছেন কিনা? প্রশ্নের জবাবে অক্ষয় বলেন, “আমাকে
কি দেখে মনে হচ্ছে যে খারাপ লেগেছে? আমি অনেক দিন ধরেই অনেক লোকের অনেক কথা শুনে আসছি। কিন্তু আমি কখনো কিছু বলিনি। স্কুলে পড়ার সময় আমাকে শেখানো হয়েছে ‘নিজের চরকায় তেল দাও’।”
অক্ষয় আরো বলেন, এতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি কী করতে পারি? আপনারা থিয়েটার মালিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। আপনারা আমাকে বারবার একই প্রশ্ন করতে পারেন। কিন্তু আমার উত্তর হলো, এসব তো আমি লিখিনি। আমার দৃষ্টিভঙ্গি খুব সহজ। মিডিয়ায় সামনে যা এসেছে, তা দেখে আপনাদের মতো আমার মধ্যেও প্রতিক্রিয়া হয়। ফলে এখানে নতুন কিছু বলার নেই।
হাউজফুল ৪ সম্পর্কে বক্স অফিসে জালিয়াতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অক্ষয় আরো বলেন, ‘‘ফক্স
স্টার স্টুডিও (ওয়াল্ট ডিজনির সঙ্গে যুক্ত ও হাউজফুল ৪ ছবির অন্যতম প্রয়োজক) নামে একটি স্টুডিও আছে। চলচ্চিত্র দুনিয়ায় এদের যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্যতা আছে। এটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। আমাদের মাথা খাটানো উচিত। তারা লাখ লাখ ডলার খরচ করে ছবি নির্মাণ করে। তাই তাদের কাছে বক্স অফিসের তিন বা পাঁচ নম্বর অবস্থান কোনো ব্যাপারই নয়। আমাদের বুঝে-শুনে কথা বলা দরকার। ফক্স স্টার স্টুডিও তাদের নিজস্ব টুইটারে এটা লিখেছে। যেটা সবখানে ছড়িয়ে যায়। সবার কাছে তাদের জবাব দিতে হয়। তাই তারা মিথ্যে কথা বলতে যাবে না।’’
অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন, বক্স অফিসের নাম্বার জানানো উচিত নয়। এ প্রসঙ্গে অক্ষয় তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘বক্স
অফিসে জালিয়াতি সম্ভব নয়। যদি এক করপোরেট প্রতিষ্ঠান তথ্য গোপন রাখে, তাহলে অন্য কেউ সেটা প্রকাশ করে দিতে পারে। পুরো বিষয়টা উন্মুক্ত। আপনি হলগুলোয় গিয়ে কোনো ছবির আয়ের হদিস বের করে ফেলতে পারবেন। তাই আমার মনে হয় বক্স অফিসের আয় গোপন রাখা উচিত নয়, বরং প্রকাশ করা উচিত।’
সূত্র: ডিএনএ










