আমরা বাস করছি ওভার দ্য টপ মিডিয়া সার্ভিস এবং অনলাইন স্ট্রিমিং প্লাটফর্মের যুগে।
এসব মাধ্যমে ‘তারকা’ অভিনেতাদের পরিবর্তে ‘অভিনেতা’ এবং ‘কাহিনী’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে; তাই উৎপল দত্ত হয়তো তার সময়ের চেয়ে আজ বেশি আলোচিত হতেন
সত্যজিৎ রায়ের ‘হীরক রাজা’র উৎপল দত্ত গত হয়েছেন ২৬ বছর আগে।
বরিশালের ছেলে উৎপল দত্ত বাংলা ভাষার কিংবদন্তি নাট্যকার ও অভিনেতা।
সিনেমাভক্ত, সমালোচকরা প্রতি বছরই তাকে নতুন করে আবিষ্কার করছেন।
নতুন নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে চলছে তাকে পুনরাবিষ্কার।
উৎপল দত্তকে চলচ্চিত্র সমালোচকরা এ যুগে বিরাট প্রেরণা হিসেবে দেখছেন।
কারণ এ যুগে ভালো অভিনেতাদের জন্য দারুণ সব সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কোনো দক্ষ অভিনেতা যে প্লাটফর্ম থেকেই আসুন না কেন, বর্তমান সময়ে দর্শকের সামনে তার প্রতিভা প্রকাশের নানা রকম মাধ্যম আছে।
অবশ্য অনেকে উল্টোটাও ভাবেন—আজকের দিনে কি উৎপল দত্ত তার সময়ের মতো গৌরব অর্জন করতে পারতেন?
আমরা বাস করছি ওভার দ্য টপ মিডিয়া সার্ভিস এবং অনলাইন স্ট্রিমিং প্লাটফর্মের যুগে।
এসব মাধ্যমে ‘তারকা’ অভিনেতাদের পরিবর্তে ‘কাহিনী’ এবং ‘অভিনেতা’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে; তাই উৎপল দত্ত হয়তো তার সময়ের চেয়ে আজ আরো আলোচিত হতেন।
তার অভিনয় দক্ষতাকে মাথায় রেখে বলা যায় নাট্যকার, নির্মাতা নিশ্চয়ই তার জন্য নিরীক্ষাধর্মী অনেক চরিত্র সৃষ্টি করতেন।
তার জীবদ্দশায় তার জন্যই নির্দিষ্ট করে অনেক চরিত্র তৈরি করছেন নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতারা।
সত্যজিৎ রায় যেমন তাকে দিয়ে করিয়েছিলেন হীরক রাজার চরিত্র।
বলা হয় উৎপল দত্ত বাংলা থিয়েটার এবং সিনেমার অভিনয় শিল্পকে সংস্কার করেছিলেন।










