বাগেরহাটে
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের ২১ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (২৪
ডিসেম্বর) সকালে কাটাখালি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। কেন্দ্র ঘোষিত গণমিছিল বানচাল করতে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ
করেছেন জেলা বিএনপির নেতারা।
এছাড়া বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিমের বাড়ি, শহরের সরুইস্থ দলীয় কার্যালয় এবং শ্রমিক দলের সাবেক জেলা সভাপতি সরদার লিয়াকত হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম।
বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, গ্রেফতার এবং কার্যালয়সহ তাদের বাড়িতে হামলার কারণে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করতে পারেননি তারা।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক বলেন, আজ বিএনপির গণমিছিল কর্মসূচি ছিল। কিন্তু সকাল থেকে পুলিশ আমাদের অফিস ঘেরাও করে রেখেছে। আমাদের কোনো নেতাকর্মী ভেতরে ঢুকতে পারেনি। সেখানে মিছিল করার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। আমরা মিছিল করতে পারিনি।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এসে আমাদের অফিসের দরজা-জানালা ভাঙচুর করেছে। অফিস তালাবদ্ধ থাকায় তারা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর চালায়।
এদিকে বাগেরহাট-খুলনা মহাসড়কের কাটাখালি মোড় এলাকায় গণমিছিল করেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মিছিলে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিম, নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ইউনুসসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাগরেহাট
জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে পুলিশ আমাদের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।
ফকিরহাট
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আলিমুজ্জামান বলেন, এসআই সঞ্জয় বাদী হয়ে একটি নাশকতা মামলা দায়ের করেছেন। এই
মামলায় কাটাখালিসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিষয়টি
নিয়ে কথা বলার জন্য জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. মনির হোসেনকে ফোন করা হলেও তার সঙ্গে
কথা বলা যায়নি।










