গতকাল দুপুর ১২টার দিকে কবর স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন কবি ও প্রাবন্ধিক সাখাওয়াত টিপু।
আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। সাখাওয়াত টিপু বলেন, ‘মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের একটি অংশ আছে, যেখানে সাধারণ মানুষকে দাফন করা হয়। আরেকটি অংশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করা হয়।’ ২০০১ সালে ‘রাজনৈতিক কারণে’ আহমদ ছফাকে সাধারণদের সঙ্গে দাফন করা হয়েছিল। সেখান থেকে তার কবর তুলে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের মূল অংশে স্থানান্তর করা হয়েছে।
গত শনিবার এ ‘রাজনৈতিক কারণ’ সম্পর্কে এক আলোচনায় অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘আহমদ ছফা যখন মারা যান, তখন দেশে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল। কিন্তু সে সময় সদ্য সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যক্তিরাই কবরস্থানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। তারা আহমদ ছফাকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করতে দেননি।’
বাংলা একাডেমিতে ‘আহমদ ছফা স্মৃতিবক্তৃতা ২০২৬’ শীর্ষক সেই অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘ছফার মৃত্যুর পর তাকে কবর দিতে গিয়ে আমি লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলাম। যে আহমদ ছফা ঘুস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ করেছেন বলা যায়, সেই আহমদ ছফাকে কবর দিতে গিয়ে ঘুস দিতে হয়েছে।’










