‘প্রতিবন্ধী নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’
শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বগুড়ায়। প্রতিবন্ধী নারীদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ঢাকার উইমেন উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (ডব্লিউডিডিএফ) আয়োজনে এবং অ্যারো ও ইউনাইটেড নেশনস ট্রাস্ট ফান্ডের সহযোগিতায় আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ডব্লিউডিডিএফের সভাপতি শিরিন আক্তার।
গতকাল শহরের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালাহউদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেহমান ও বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টু। ডব্লিউডিডিএফের প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট কো-অর্ডিনেটর হুমায়ূন কবীরের সঞ্চালনায় সভায় সহায়ক ছিলেন সংস্থার প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর তাসমিয়াহ রশিদ শশী, প্রোজেক্ট ফ্যাসিলিটেটর ফারহানা হেনা, গোলাম কিবরিয়াসহ সংস্থার কর্মকর্তারা।
ডব্লিউডিডিএফের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন নাহার মিষ্টি স্বাগত বক্তব্যে প্রতিবন্ধী নারী ও কন্যাশিশুদের জীবনমান, তাদের প্রতি সহিংসতার পরিসংখ্যান, নির্যাতনের শিকার ও প্রতিকারের বিভিন্ন দিক পাওয়ার প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন।
আয়োজক সংস্থা থেকে সভায় বলা হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী দেশে মোট জনসংখ্যার ৯ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ মানুষ প্রতিবন্ধী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ বলছে, দেশে প্রতিবন্ধী নারীর সংখ্যা ৮২ লাখ। প্রতিবন্ধী নারীদের ৯৬ শতাংশই মানসিক, শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। আর মাত্র ১ শতাংশেরও কম প্রতিবন্ধী মেয়েশিশু স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায়। আলোচনা সভায় প্রতিবন্ধী নারীদের প্রতি সহিংতার পেছনে দরিদ্রতাসহ ১১টি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। দেশের ৯৯ শতাংশ প্রতিবন্ধী নারী দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। প্রতিবন্ধী নারীদের ওপর শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি ধর্ষণের মতো যৌন ও মানসিক নির্যাতনও চালানো হয়। নির্যাতিত প্রতিবন্ধী নারীদের ১৮ শতাংশ আবার নির্যাতনের শিকার হয়। আর নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী নারীদের প্রতি পারিবারিক, সামাজিক বাধা ও বৈষম্য লক্ষ করা যায়।










