বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যত পরিবর্তনই ঘটুক না কেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে চীনের অঙ্গীকার অপরিবর্তিত থাকবে বলে
জানিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। ঢাকায় চীনের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন তিনি। গতকাল বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকার চীনা দূতাবাস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গবেষক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে চীনা মেডিকেল টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে চীনা শিল্পীরা নাচ ও গান পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক বিদ্যমান। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী বছর দুই দেশের সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপিত হবে। চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।
এ সময় আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে আরো বাণিজ্য বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থ উপদেষ্টা। এছাড়া তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, চীনা সহযোগিতা ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধান সম্ভব হবে না।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন বিগত ৭৫ বছর ধরে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে চীন- বাংলাদেশ গভীর বন্ধুত্বও তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যত পরিবর্তনই ঘটুক না কেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে চীনের অঙ্গীকার অপরিবর্তিত। চীন আন্তরিকভাবে আশা করে যে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় সংস্কার করবে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে, অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নতি ঘটাবে।
ইয়াও ওয়েন জানান, অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত দেড় মাসে চীনা উদ্যোগগুলোতে ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং আমাদের সম্পর্কের ওপর চীন যে আস্থা রাখে তা প্রদর্শন করে।










