আসন্ন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হচ্ছে শিক্ষা খাতে। শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রাবাস নির্মাণ, স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন ও নতুন ভবন নির্মাণের কারণে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
আজ রোববার (১৮ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, চলতি বছরের বাজেট গতবারের তুলনায় ছোট হবে। সাধারণত সংশোধিত বাজেট সবসময় মূল প্রস্তাবিত বাজেটের চেয়ে ছোট হয়। এবারো তাই হচ্ছে। তবে শিক্ষা খাতে বড় বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। কারণ এখানে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বেতন কাঠামো সংশোধনের বিষয় রয়েছে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে এভাবে বরাদ্দ বাড়ানো যাচ্ছে না। কারণ গত এক বছরে প্রায় ২ হাজার ৫০০ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর ফলে খরচ বেড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় এই খাতের অবকাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি। তাই উন্নয়ন বাজেটে এই খাতে বড় বরাদ্দ দেয়া যাচ্ছে না।
উপদেষ্টা আরো বলেন, এবারের বাজেট হবে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বাজেট। দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করাই হবে মূল লক্ষ্য। তাই দীর্ঘমেয়াদি বা মেগা প্রকল্প নেয়া হচ্ছে না। স্বল্পমেয়াদি ও উচ্চ সুদের ঋণ নেয়া হচ্ছে। তবে এবার বাজেটে বিদেশী সব দেনা পরিশোধ করে দেয়া হবে, যত কষ্টই হোক। ভবিষ্যতের ওপর চাপ না দেয়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দেয়া হয়। পাশাপাশি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও কর্পোরেশনগুলোর ৮ হাজার ৫৯৯ কোটি ৭১ লাখ টাকার এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে।










