সাবেক এ রাষ্ট্রপতি ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালে এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ।
ইসলামী ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ অভিযোগপত্র জমা দেন। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বেসরকারি এ ব্যাংকের পক্ষ থেকে।
দুদকে জমা দেয়া অভিযোগপত্র অনুযায়ী, এ জালিয়াতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এটি মূলত রুগ্ণ ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল, যার প্রাথমিক বিনিয়োগসীমা ছিল মাত্র ১০০ কোটি টাকা। তবে অভিযুক্তদের রাজনৈতিক প্রভাব ও সরাসরি সহায়তায় যথাযথ যাচাই-বাছাই ও পর্যাপ্ত জামানত ছাড়াই এ ঋণের সীমা ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়। প্রথমে এটি ২০০ কোটি এবং পরে অবৈধভাবে তা উন্নীত করা হয় ৫০০ কোটি টাকায়। সে অর্থ উঠিয়ে একসময় আত্মসাৎ করা হয়।
চারটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসংগতি খুঁজে পেয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে প্রধান কার্যালয়ে ঋণ প্রস্তাব পাঠানো হয়। পরে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন নির্বাহী বোর্ডের সভায় এসব ঋণ অনুমোদন করা হয়। ঋণ পরিশোধে ২০১৯-২৫ সাল পর্যন্ত কয়েক দফায় তাগাদাপত্র ও চূড়ান্ত নোটিস দেয়া হলেও ঋণগ্রহীতারা পরিশোধ করেননি।
অভিযোগে আরো বলা হয়, তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।










