খবর পেয়ে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে নিজ ঘরের শয়নকক্ষ থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, অনিকাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ চুরির অভিযোগও উঠেছে। গত শুক্রবার রাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলেছে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহতের মেয়ে শিখা ত্রিপুরা (৮) জানায়, ঘটনার রাতে সে পাশের গ্রামে নানির বাসায় ছিল। সকালে বাসায় এসে তার মাকে ডাকলেও ঘুম থেকে ওঠেনি। পরে ভয় পেয়ে স্কুলে চলে যায় সে।
জানা গেছে, হত্যার শিকার অনিকা ত্রিপুরার স্বামী সেতু ত্রিপুরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর হাসপাতালে আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত।
খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।










