তুরস্কের পণ্য রফতানি গত অক্টোবরে রেকর্ড ২ হাজার ৫৯০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৮ দশমিক ১ শতাংশ। দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী ওমর বোলাত সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অক্টোবরে তুরস্কের পণ্য রফতানি এ-যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বার্ষিক হিসাবে পণ্য রফতানি বেড়েছে ১৫৬ কোটি ডলার। এতে মোট রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৫৬ কোটি ডলারে। সরকারের নির্ধারিত ২ হাজার ৮২০ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে গেছে এ আয়।
পণ্য ও সেবা মিলিয়ে বার্ষিক রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৩০ কোটি ডলারে। এর মাধ্যমে অক্টোবরেই সরকারের ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলারের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে দেশটি।
অন্যদিকে অক্টোবরে তুরস্কের আমদানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এ সময়ে আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৫৮ কোটি ডলার। তবে আমদানির তুলনায় রফতানি বেশি বাড়ায় বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে। গত বছরের একই মাসের ৭৫৬ কোটি ডলারের তুলনায় এবার ঘাটতি ১১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ৬৭০ কোটি ডলারে নেমেছে।
দেশটির মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ গত মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৪৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা বেড়েছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।
তুরস্কের চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) পণ্য রফতানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এ সময়ে রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৬৮৪ কোটি ডলার। একই সময়ে আমদানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ, যার পরিমাণ ৩১ হাজার ৪৫০ কোটি ডলার। এতে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৭৬৭ কোটি ডলারে।
তুরস্কের গত মাসে দেশভিত্তিক সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার ছিল জার্মানি। দেশটিতে ২০৭ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে তুরস্ক। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। এ দুই দেশে রফতানি হয়েছে যথাক্রমে ১৮৬ কোটি ও ১৩৮ কোটি ডলারের পণ্য।
অন্যদিকে চীন ছিল তুরস্কের সবচেয়ে বড় আমদানির উৎস। দেশটি থেকে ৪৪১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে তুরস্ক। অঞ্চলভিত্তিক হিসেবে অক্টোবরে তুরস্কের পণ্যের সবচেয়ে বড় রফতানি বাজার ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ অঞ্চলের দেশগুলোতে ১ হাজার ৪০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছে তুরস্ক।










