এসব জোনে একই সঙ্গে উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাত, আবাসন, প্রশিক্ষণ, প্যাকেজিং ও বাজারজাতের ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও স্থপতি সুমসান নাহার মুন্নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অর্গানিক প্রডাক্ট অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ক নাসীরুল ইসলাম, পরিবেশবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুর রহমান পাপন, গ্রিন বিল্ডিং একাডেমির সভাপতি প্রকৌ. মো. আল এমরান হোসেন প্রমুখ।
তিনি বলেন, ‘ছয় হাজার মাইক্রো ইকোনমিক জোন’ শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম। এর মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের প্রয়োজন যতটা সম্ভব স্থানীয়ভাবে পূরণ করা। এতে আমদানিনির্ভরতা কমবে, স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।’










