ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেছেন, আমেরিকা ফার্স্ট’ মানে আমেরিকা একা—তা নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার বহু সুযোগ রয়েছে বলে আমি মনে করি। আমি আমাদের উভয় দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী এবং আগামী মাসে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জাতীয় নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছি।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন। গত ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশে এসে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথম সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন।
মতবিনিমেয়র শুরুতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের জন্য আমার দায়িত্বভার গ্রহণের সূচনালগ্নে আজ আপনাদের সঙ্গে থাকতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমি এমন একটি দেশে আবার ফিরে আসতে পেরে গর্বিত, যে দেশকে আমি ভালোভাবে চিনি এবং সর্বোচ্চ শ্রদ্ধার চোখে দেখি।
তিনি আরো বলেন, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি বাংলাদেশ ও বৃহত্তর অঞ্চল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি প্রণয়নে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আমার দল ও আমি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্যিক সুযোগ এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা আরো গভীর করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ অংশীদারত্বকে আরো শক্তিশালী করতে কাজ করব।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার প্রধান দায়িত্ব হলো আমেরিকান জনগণের স্বার্থ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মসূচিকে এগিয়ে নেয়া, যার লক্ষ্য আমেরিকাকে আরো নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করা। আপনারা হয়তো এ নীতিকে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামে শুনে থাকবেন। আমার বিশ্বাস, নির্বাচিত সরকারগুলোর উচিত সব সময় নিজেদের জনগণকে অগ্রাধিকার দেয়া।










