শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতাকে পোশাক খাতে উৎপাদনশীলতার চাবিকাঠি বলে অভিহিত করছেন বিশিষ্টজনরা। তাঁরা বলেছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়াত এডুকেশন, ইন্টিগ্রাল গ্লোবাল কনসালটেন্সি (আইজিসি) ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) আয়োজিত সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা জানান, শ্রমিকদের সুস্থতা সরাসরি উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা ও স্থায়িত্বের ওপর প্রভাব ফেলে, যা দেশের জিডিপিতে ৬ শতাংশ অবদান রাখে, রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি উৎপাদন করে। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন আয়াত এডুকেশনের চেয়ারপারসন ও আমান গ্রুপ অব কম্পানিজের ভাইস চেয়ারপারসন তাহসিন আমান।

তিনি পোশাক খাতের কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা উদ্যোগকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য শিল্প মালিক, নীতিনির্ধারক, ক্রেতা এবং উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন।

সংলাপে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. সানশেয়ার জাহান ভূঁইয়া শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘কর্মীদের সুস্বাস্থ্যই শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার মূলভিত্তি। তাই আমরা সব শ্রমিকের তথ্যের জন্য একটি সমন্বিত শ্রম ব্যবস্থাপনা চালুর চেষ্টা করছি, যা পরিকল্পনা ও নীতিমালা তৈরিতে সহায়তা করবে।’ তিনি বলেন, সব বিপদ মোকাবেলায় সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখাতে হবে। কর্মীদের সুস্থতা নিশ্চিত করা গেলে তা উৎপাদনশীলতার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ ক্ষেত্রে কর্মীদের ডিজিটাল শিক্ষাদান ও দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নতুন ধারণার কথাও তুলে ধরেন তিনি।