সব মিলিয়ে মৃত্যু সংখ্যা ৮৭৮। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে যে পাঁচ শিশু মারা গেছে, এর মধ্যে তিনজন ঢাকা বিভাগের। বাকি দুজন সিলেট বিভাগের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৪১ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১২৪ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯১, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৬, ময়মনসিংহে ৭২, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১৩ জন মারা গেছে।
প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় আরো ৯৯২ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছে। এর মধ্যে ভর্তি হয়েছে ৯৪০ জন।
ঢাকা বিভাগে ভর্তি ৩৩৩ জন, রাজশাহীতে ২৭, সিলেটে ১৩২, চট্টগ্রামে ২৫২, বরিশালে ৯৪, ময়মনসিংহে ৪৯, খুলনায় ৪৪ ও রংপুরে নয়জন ভর্তি রয়েছে। এছাড়া এ সময় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্তের সংখ্যা ১৬৩।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩১২। এ সময় দেশে মোট ১৭ হাজার ২৭৮ রোগীর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৩২২ রোগী। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৯ রোগী।










