যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) লিফট অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে এলে ১৭ চাকরিপ্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী যুবকদের দাবি, পরীক্ষা দিতে আসার সময় যবিপ্রবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে নিয়ে ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে ৬ ঘণ্টা আটকে রাখে। পরে পরীক্ষা শেষ হলে শহরের বিভিন্ন স্থানে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবকদের পরিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েছে।

অভিযোগ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে সিসি ক্যামেরার হার্ডডিক্স সংগ্রহ করতে গেলে সেটিও ছিনিয়ে নেয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার কথা জানিয়েছেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।

মারধরের শিকার সোহান হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে নামতেই কয়েকজন আমাকে বলে কী পরীক্ষা দিতে এসেছেন? এরপর আমাকে শহীদ মসীয়ূর রহমান হলের ৩০৯ নম্বর রুমে নিয়ে গিয়ে বলে, তোরা পরীক্ষা দিতে আসছিস, এডমিট কার্ড কোথা থেকে পাইলি? ওই কক্ষে আমিসহ ছয়জন পরীক্ষার্থী ছিলাম। এছাড়া হলের ৩০৪ নম্বর ও পাঁচ তলার একাধিক কক্ষে ১৭ জনের মতো আটক ছিলাম।’

তবে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা বলেন, ‘ছাত্রলীগের কোনো কর্মী মারধরের সঙ্গে জড়িত নয়। ছাত্রলীগ কখনোই নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ছিল না।’