যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) লিফট অপারেটরের নিয়োগ পরীক্ষা দিতে আসা ১৭ চাকরিপ্রার্থীকে মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে যশোর কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী প্রার্থী আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলাটি করেন। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো পাঁচ-ছয়জনকে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আসামিদের গ্রেফতারে বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ূর রহমান হলে অভিযান চালায়। তবে ছাত্রলীগ আগেই অভিযানের খবর পেয়ে হলের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে ভেতরে সমবেত হয়ে ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে থাকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘চাকরির পরীক্ষা দিতে এলে ১৭ প্রার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার লোকজন আটকে রাখে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্র হলের যে কক্ষগুলোয় প্রার্থীদের আটকে রাখা হয়, সেসব কক্ষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা থাকেন। ক্যাম্পাসে পুলিশ ডাকা হলে বিকালে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। অপহরণ ও সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক ছিনতাইয়ের অপরাধে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। একই সঙ্গে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আগামী রোববার বিশ্ববিদ্যালয় রিজেন্ড বোর্ডের বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।’

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিপ্রার্থীদের আটকে রাখার ঘটনায় এক প্রার্থী ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।’