স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠনের পথে অন্তরায় ভাতের প্রতি নির্ভরশীলতা। রাজশাহীতে ‘প্রোটিন ফর অল’
শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেছেন। একই সঙ্গে ভাতের পরিমাণ কমিয়ে খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ানোরও পরামর্শ দেন তারা।
গতকাল হোটেল রাজশাহী ইন্টারন্যাশনালে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি), ইউএস
সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশন যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, শিশু ও প্রবীণদের জন্য প্রোটিন খুবই দরকারি। স্বল্পমূল্যে ডিম ও মুরগির মাংস থেকে প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। সঠিক প্রোটিন গ্রহণের মাধ্যমে শারীরিক বিকাশ ও সুঠাম দেহের অধিকারী হওয়া সম্ভব।
সর্বসাধারণের জন্য, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী যেন স্বল্পমূল্যে ডিম, দুধ, মাছ, মাংস কিনতে পারে সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার।
রাজশাহীর বিভাগীয় পরিচালক, প্রাণিসম্পদ, ড. উত্তম কুমার দাস বলেন, দেশে বর্তমানে মুরগির মাংসের মাথাপিছু বার্ষিক ব্যবহার প্রায় সাত কেজি। দেশীয় জাতের মুরগি, গরু, ছাগল থেকে অধিক পরিমাণ আমিষ প্রাপ্তির লক্ষ্যে এগুলোর জাত উন্নয়নের কাজ চলছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে প্রোটিন খাদ্যের ভালো উৎস থাকা সত্ত্বেও মানসম্পন্ন প্রোটিন গ্রহণে ঘাটতি রয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে প্রোটিন জাতীয় খাদ্যগ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন এ পুষ্টিবিদ। অনুষ্ঠান শেষে পোলট্রি কুকিং কনটেস্টের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।










