জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের পূর্বনির্ধারিত শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার ঘটনা স্বাধীন রাজনৈতিক চর্চা ও সংবিধান স্বীকৃত সভা-সমাবেশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত।
প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতিতে দলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত এ নতুন বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়ার সুযোগ নেই। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, নির্বাচিত সরকারও বিগত পরাজিত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী আমলের মতো বিরোধী বা ভিন্নমতের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয়ার পুরোনো চর্চা অব্যাহত রাখছে।
নেতারা বলেন, জনগণ কোনো স্বৈরাচারী শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখতে রক্ত দেয়নি। রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে সোচ্চার একটি রাজনৈতিক দলকে সভা-সমাবেশ করতে না দেয়া সরাসরি গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। কোনো যুক্তি বা অজুহাতেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ ও মতপ্রকাশের অধিকারকে হরণ করা সমর্থনযোগ্য হতে পারে না।
তারা আরো বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে বিরোধী দলের পথ রুদ্ধ করার এ অগণতান্ত্রিক মানসিকতা প্রমাণ করে যে শাসনব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন এখনো অধরা।
তারা আরো দাবি করেন, সকল রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক সভা, সমাবেশ ও কর্মসূচি পালনের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে প্রশাসন ও পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার না করে রাষ্ট্রের প্রকৃত নিরাপত্তা ও সেবায় নিয়োজিত রাখতে হবে।
নেতারা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনগণের বাক-স্বাধীনতা ও সমাবেশের অধিকার হরণ করার যে কোনো অপচেষ্টা এনসিপি রাজপথে দেশবাসীকে সাথে নিয়ে প্রতিহত করবে।










