কাগজবিহীন অফিস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথি সংরক্ষণ করছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে গতকাল কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, ‘অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ডি-নথিতে প্রবেশ করেছে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অফিশিয়ালি এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আমি ডি-নথির মাধ্যমে একটি ফাইল পাঠিয়েছি। যবিপ্রবি একটি টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, টেকনিক্যালি আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ পেপারলেস অফিসের মধ্যে প্রবেশ করতে যাচ্ছি।’ 

এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে। পরীক্ষার ফল অনলাইনে প্রকাশ হতে যাচ্ছে। ডি-নথি কার্যকর হলে ফাইল কোথায় আছে, তা সহজেই খুঁজে বের করা যাবে। ফাইল নিয়ে অনিয়ম হবে না। ডি-নথির মাধ্যমে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সময় ও খরচ যেমন কমবে, তেমনি কাগজেরও সাশ্রয় হবে। শিক্ষার্থীদের ডাটাবেস তৈরি করা হচ্ছে এবং এ পদ্ধতি অটোমেশন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ২০২৫ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন করা।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মেহেদী হাসান, উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হক, সহকারী রেজিস্ট্রার নিত্যানন্দ পাল, সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রাসেল আহমেদ প্রমুখ।