অগ্রণী ব্যাংকের মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর শাখায় প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের শ্রীনগর শাখার ক্যাশ অফিসার মো. শহীদুজ্জামান, ব্যাংক কর্মকর্তা মো. জিন্নাহ হোসেন, রেজাউল হক ও মো. শরীফ উদ্দীন এবং নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জু আহমেদ ও আবদুল হাই। তাদের প্রত্যেককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, ৯১ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুদকে অনুসন্ধান চলছে। এরই মধ্যে ৮ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশ করে ভুয়া এফডিআর, চেক জালিয়াতি ও ভুয়া ডিপোজিট স্লিপের মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। হিসাবের তথ্য পরিবর্তন করে এসব টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা ২০০-এর বেশি বলে মনে করছে দুদক।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মো. শহীদুজ্জামানকে ৪ অক্টোবর গ্রেফতার করে দুদক। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর গতকাল ৭ অক্টোবর ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রীনগর থানা-পুলিশের সহযোগিতায় বাকি পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের প্রত্যেককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধান দল ঘটনাস্থলে থেকে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের বক্তব্য নিচ্ছে। এ অনুসন্ধান শেষ হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুদকের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে।










