সবাই দখল করে, আমিও করছি, তাতে দোষের কী? খাল দখল করে দোকানঘর নির্মাণের কারণ জানতে চাইলে এভাবেই দাম্ভিকতা দেখালেন বরিশাল নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপাড়ার কাজী মশিউর রহমান মুরাদ। তিনি গণপাড়ায় কাজীবাড়ীর সামনে দিয়ে প্রবাহিত খালের ওপর দোকানঘর করছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জেলা পরিষদের এ খালে একসময় জোয়ার-ভাটা হতো। গত কয়েক বছরে দখলের কারণে জোয়ারভাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কাজীবাড়ীর সামনের অংশ দখল করে কাজী মুরাদ কাঠের স্থাপনা করে দোকানঘর নির্মাণ করছেন। এক সপ্তাহ ধরে স্থাপনা নির্মাণকাজ চললেও খাল কর্তৃপক্ষ জেলা পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তরই বিষয়টি নজরে নেয়নি।
সম্প্রতি সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণকাজ চলছে। খাল দখলকারী মুরাদের বড় ভাই কাজী মোস্তাক ওই কাজ তদারক করছেন। খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণের কারণ জানতে চাইলে মোস্তাক বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি নিয়ে সব করছেন। তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, খালের বেশির ভাগ অংশই দখল হয়েছে অনেক আগে, আমাদের বেলায় সবার এত নজর কিসের?
কাজী মুরাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি একই কথা জানিয়ে বললেন, যারা এসব নিয়ে খোঁচাখুঁচি করছেন ঘর নির্মাণ শেষে তাদের দেখিয়ে দেবেন।
সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাশিদা পারভীন জানান, বহু বছর আগ থেকে খালটি দখলের প্রতিযোগিতা চলছে। তবে কাজীবাড়ীর সামনে মুরাদের দখলের বিষয়টি তার জানা নেই।
বরিশাল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, কাশীপুরে জেলা পরিষদের খালে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে থাকলে তিনি সেগুলো উচ্ছেদ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। খোঁজখবর নিয়ে ঈদের পরই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।









