দেশের বিভিন্ন জায়গায় গত তিন সপ্তাহে নারীদের ওপর হামলার ৭০টিরও বেশি ঘটনার সংবাদ হয়েছে, যার একটি বড় অংশ ইলেকশন কমিশনে অভিযোগ আকারে জমা পড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ভোটারদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ততা থাকলেও নারী ভোটারদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
নারীদের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী তিনটি জায়গায় জোর দিয়েছে—নারীর বাসস্থান, কর্মক্ষেত্র ও জনপরিসর। এ তিন ক্ষেত্রেই নারীর নিরাপত্তা, সুযোগ ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। কর্মঘণ্টা ৫ ঘণ্টা কমানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে, তবে এটি পুরো নীতির খুব ছোট একটি অংশ। মূলনীতিতে বলা হয়েছে, নারীরা যেন সব জায়গায় নিরাপদভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং কর্মসংস্থান থেকে বিনিয়োগ—সব দরজা তাদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। আমার কাছে এটি ইতিবাচক লেগেছে। এ প্রতিশ্রুতিগুলো বাংলাদেশের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। বরং যেসব প্রতিশ্রুতি ও কাঠামো আগে থেকেই আছে, সেগুলোকে কার্যকর ও সক্রিয় করার কথাই বলা হয়েছে।













