রাজশাহী নগরীর উন্নয়নে আরো দেড় থেকে ২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প আসছে। আগামী দুই বছরে আসবে এসব বরাদ্দ। গতকাল নগরীতে চার লেনের সড়ক নির্মাণকাজ উদ্বোধনকালে এ তথ্য জানান সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। দুপুরের নগরীর ছোটবনগ্রাম বাইপাস মোড়ে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সড়কটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন তিনি।

সিটি মেয়র বলেন,  করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এখন নগরীতে ব্যাপক উন্নয়ন শুরু হয়েছে। আগামী দুই বছরে আরো দেড় থেকে ২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।

মেয়র লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী নগরীর উন্নয়নে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। প্রকল্পটির আওতায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রশস্তকরণ ছাড়াও ৩০টি ওয়ার্ডের অলি-গলির সব রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণসহ নানাবিধ অবকাঠামো উন্নয়নকাজ চলমান। ওয়ার্ড পর্যায়ে রাস্তার নির্মাণকাজ শেষ হলে নাগরিকদের অলি-গলি থেকে রাজপথে চলাচলের পথ স্বাচ্ছন্দ্য হবে।

রাসিক ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমনের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের পরিচালক ও রাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নূর ইসলাম তুষার, নগর অবকাঠামো নির্মাণ ও সংরক্ষণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাসিক কাউন্সিলর নিযাম উল আযিম, ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহাদত হোসেন শাহু, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মমিন, ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুস সোবহান লিটন, ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ, ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তরিকুল আলম পল্টু, ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ারুল আমিন আযব প্রমুখ।

ক্ষতিপূরণ পেল রাকাব কর্মীদের পরিবার: ক্ষতিপূরণ পেয়েছে করোনা সংক্রমণে প্রাণ হারানো রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবার। গতকাল রাকাব প্রধান কার্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন। মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদুজ্জামান।

ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জামিল জানিয়েছেন, করোনায় রাকাবের ১০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রাণ হারিয়েছেন। প্রয়াত ওই ১০ জনের পরিবারকে মোট ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের অর্থ দেয়া হয়েছে।