পৃথক দুর্ঘটনায় কুমিল্লা, চুয়াডাঙ্গা, গাইবান্ধা ও ঝিনাইদহ জেলায় একজন করে মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বান্দরবানে একটি পর্যটকবাহী বাস পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। প্রতিনিধিদের খবর—
কুমিল্লা: তিতাস উপজেলায় বেকারির পণ্যবাহী ভ্যানের চাপায় মো. আলিফ হোসেন (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দুপুরে উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের উলুকান্দি পূর্বপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আলিফ উলুকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে একই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. দেলোয়ার হোসেনের ছোট ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা: জেলার আলুকদিয়া বাজারে ট্রাকের ধাক্কায় আব্দুল্লাহ (১৫) নামে এক কিশোর মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছে। বুধবার বেলা ১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের আলুকদিয়া বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল্লাহ চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার তালতলার শাহবুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।
গাইবান্ধা: সাদুল্লাপুর উপজেলার টিয়াগাছা এলাকায় ধানবোঝাই নসিমনের ধাক্কায় সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে নসিমনের চাকায় পিষ্ট হন ভ্যানচালক আব্দুল জব্বার (৫০)। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঝিনাইদহ: শৈলকুপায় ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে বের হয়ে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কে দ্রুতগামী ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তারিফ উদ্দিন মন্ডল (৭৫) নামের এক বৃদ্ধ। নিহত তারিফ উদ্দিন মন্ডল চণ্ডিপুর গ্রামের মৃত ইন্তাজ মন্ডলের ছেলে।
বান্দরবান: চট্টগ্রাম থেকে আসা ‘রিলাক্স পরিবহন’-এর একটি পর্যটকবাহী বাস আমতলী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় ১২ জন পর্যটক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।










