চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে আল জোর ও আল জাসাসিয়া নামে দুটি জাহাজ বন্দরে অবস্থান করছে। গতকাল ৬২ হাজার ৯৮৭ টন এলএনজি নিয়ে লুসাইল ও আগামী বুধবার ৫৭ হাজার ৬৬৫ টন এলএনজি নিয়ে আল সালায়েল নামে আরো দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে এ চার জাহাজে প্রায় আড়াই লাখ টন এলএনজি রয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে এলপিজি আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ওমানের সোহার বন্দর থেকে ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। এর আগে একই বন্দর থেকে জিওয়াই এমএম নামের আরেকটি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি নিয়ে বন্দরে আসে। এ দুই জাহাজে মোট ৪১ হাজার ৪৮৮ টন এলপিজি রয়েছে। এর আগে ৪ মার্চ ওরিয়েন্টাল গ্রিনস্টোন নামের একটি এলপিজিবাহী জাহাজ জ্বালানি খালাস শেষে শুক্রবার বন্দর ত্যাগ করে।

ডিজেল নিয়েও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। এসপিটি থেমিস নামের জাহাজটির প্রায় ৩১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চলতি সংগ্রহেই বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়া থেকে ১৪ হাজার টন গ্যাসের উপজাত কনডেনসেট নিয়ে হুয়া সুন নামের জাহাজ বর্তমানে বন্দরে অবস্থান করছে। এই কনডেনসেট থেকে ডিজেল, অকটেন, পেট্রল ও এলপিজি উৎপাদন করা হবে।

সিঙ্গাপুর থেকে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল নিয়ে আসা দুটি জাহাজও বন্দরে রয়েছে। পল নামের একটি ডিজেলবাহী জাহাজ জ্বালানি খালাস শেষে বন্দর ছেড়ে গেছে।