আগামী সপ্তাহ থেকে যশোরে ইউনিয়ন পর্যায়ে শুরু হচ্ছে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি। ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৩২ দরিদ্র মানুষ এ সুবিধা পাবে। প্রতিজন পাবে এক বস্তা চাল (৩০ কেজি)। রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে ডিলার এ চাল বিক্রি করবেন। প্রতি কেজি চালের দাম ধরা হয়েছে ১৫ টাকা।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার বছরে পাঁচ মাস দরিদ্রদের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিক্রি করে কম দামে। এজন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সুবিধাভোগীদের কার্ড করা হয়েছে। কার্ডধারীরা প্রতিজন মাসে একবার এ চাল তুলতে পারবেন। জেলায় মোট ডিলার রয়েছেন ২৬২ জন। তারা এ চাল বিক্রি করবেন।

যশোর উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুল হক লিটু জানান, তার ইউনিয়নে ৭০০ কার্ডধারী রয়েছেন। তাদের রেশনিং কার্ড করে দেয়া হয়েছে। সরকার বছরে পাঁচ মাস এ চাল বিতরণ করছে। যাতে সুফলভোগীরা কম দামে চাল কিনতে পারেন।

উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের বাসিন্দা রাবেয়া বেগম জানান, তাদের রেশনিং কার্ড করা আছে যা থেকে মাসে একবার ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি চাল কিনতে পারছেন। বাজারে চালের দাম ৫০ টাকা কেজি। এত টাকা দিয়ে চাল কেনার সামর্থ্য তার নেই।

নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ন কবীর তুহিন জানান, তাদের ইউনিয়নে ১ হাজার ৫০০ কার্ডধারী এ চাল পাবেন। প্রতিজন এক বস্তা করে বছরে পাঁচ মাস চাল নিতে পারবেন। তবে আগে থেকে প্রচারণা থাকাটা জরুরি। কেননা অনেকে চাল বিতরণের খবর জানতে পারেন না।

একই ইউনিয়নের বাসিন্দা সাত্তার মিয়া বলেন, ‘সরকার কার্ডের মাধ্যমে মাসে এক বস্তা চাল দিচ্ছে। তবে ১২ মাস এ সুবিধা পেলে আমাদের মতো দরিদ্র মানুষ উপকৃত হতো।’

যশোরের খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুণ্ডু জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্ডধারীদের মধ্যে চাল বিতরণ কর্মসূচি শুরু হবে। প্রতিজন ৩০ কেজি চাল পাবেন। ডিলারদের কাছ থেকে ১৫ টাকা কেজিতে তারা এ চাল কিনতে পারবেন।’