দেশের দুই জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আজ সকালে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়ায় বাসচাপায় কাজের সন্ধানে বের হওয়া সাত শ্রমিক এবং সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। দুই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়ার সিল্কিবান্দা এলাকায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে অপেক্ষমাণ দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের চাপা দিলে সাতজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৯ জন।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাসটি প্রথমে সড়কের পাশের একটি খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এরপর চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের পাশে কাজের সন্ধানে অপেক্ষমাণ শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়। ঘটনাস্থলে তিনজন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়।

accident

বগুড়ায় দুর্ঘটনাস্থলে ভিড়

বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী জানান, রাতে ঢাকা থেকে নওগাঁর উদ্দেশে ছেড়ে আসা বাসটি সকালে এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপারকে পাওয়া যায়নি। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত ও দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।

অন্যদিকে, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর এলাকায় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। নিহত সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী।

Untitled-1

সিলেটে সংঘর্ষের পর খাদে পড়ে যায় ইউনিক পরিবহনের বাস

ওসমানীনগর থানার ওসি মোরশেদুল আলম ভুইয়া জানান, দয়ামীরে বেঙ্গল বাস ও ইউনিক বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ইউনিক বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন দুই বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুটি দুর্ঘটনাতেই হতাহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।