বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে বিআইআরএস প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে নিহত পাঁচজনের মরদেহ গতকাল পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সালাহ উদ্দিনকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযোগ উঠেছে অবৈধভাবে নির্মিত হয় প্লাাস্টিক কারখানা বিআইআরএস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কারখানায় যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের নির্গমন পথ তালাবদ্ধ থাকায় তারা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে, কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই কারখানাটি নির্মাণ করা হয়।
আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন জানান, শারীরিক গঠনসহ বিভিন্ন আলামত দেখে স্বজনরা নিহতদের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে পরিবারের কাছে নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতরা হলেন উপজেলার কমল দোগাছীর এলাকার লুত্ফর রহমানে ছেলে সিহাব হোসেন (১৪), পালোয়ান
পাড়া এলাকার হাসান আলীর ছেলে ইমন আলী মন্ডল (১৫), ঘোরাঘাট
এলাকার মৃত আফছার উদ্দীনে ছেলে আব্দুল খালেক (৫০), ছাতনী
ঢেকড়া এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে বেলাল হোসেন (৫৫), সান্দিড়া
এলাকার নাছির উদ্দীনের ছেলে শাহজাহান আলী (২৮)।
জেলর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক জানান, কারখানা থেকে বের হওয়ার জন্য পকেট গেট ছিল। তা তালাবদ্ধ থাকায় পাঁচ শ্রমিক বের হতে না পেরে আগুনে পুড়ে মারা যান। ফ্যাক্টিরতে যথেষ্ট পরিমাণ
শ্রমিক নির্গমন পথ ছিল না।
পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক সুফিয়া নাজিম জানান, এ কারখানার পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র ছিল না। অনুমতি না নিয়েই কারখানাটি স্থাপিত হয়।










