সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেফতারের পর গতকাল এ তথ্য জানায় র‍্যাব। 

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান বলেন, ‘গত ৪ আগস্ট নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, আক্রমণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। যুবলীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন তিনি কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর তিনি যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৮৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়লাভ করে মন্ত্রিত্ব ধরে রাখেন।

এদিকে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এমএ আউয়ালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রতারণা মামলায় গতকাল রাজধানীর কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, আগের একটি প্রতারণা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এমএ আউয়ালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৭। 

এমএ আউয়াল তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে তরিকত ফেডারেশন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। শৃঙ্খলাভঙ্গ ও নিয়মবহির্ভূত কাজ করায় ২০১৮ সালে আউয়ালকে দল থেকে বহিষ্কার করে তরিকত ফেডারেশন। এর পরের বছরই ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি নামে একটি দল গঠন করেন আউয়াল।